সাতক্ষীরার শ্যামনগরে স্থানীয় অভিযোজন মেলা ও জলবায়ু সংলাপ

সাতক্ষীরা ও শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি

সারাবাংলা

উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীর উদ্ভাবনী উদ্যোগ ও অভিযোজন অভিজ্ঞতা তুলে ধরতে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে অনুষ্ঠিত

2026-03-09T19:26:30+00:00
2026-03-09T19:32:06+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে স্থানীয় অভিযোজন মেলা ও জলবায়ু সংলাপ
সাতক্ষীরা ও শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি
প্রকাশ: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৭:২৬ পিএম  আপডেট: ০৯.০৩.২০২৬ ৭:৩২ পিএম  (ভিজিট : ৭২)
সংগৃহীত ছবি
X

সংগৃহীত ছবি


উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীর উদ্ভাবনী উদ্যোগ ও অভিযোজন অভিজ্ঞতা তুলে ধরতে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে অনুষ্ঠিত হয়েছে স্থানীয় অভিযোজন মেলা ও জলবায়ু সংলাপ।

সোমবার (০৯ মার্চ) উপজেলার ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের ধুমঘাট পাইকের মোড় বিলে গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর উদ্যোগে এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

মেলায় স্থানীয়রা ১৩টি স্টলে উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকা, স্থানীয় জ্ঞান ও অভিযোজন কৌশল তুলে ধরেন। এসব স্টলে উপকূলীয় কৃষি যন্ত্র ও আগাছা ব্যবস্থাপনা, হাওর ও উপকূলীয় অঞ্চলের মাছ ধরার উপকরণ, স্থানীয় অভিযোজন চর্চা, বিলুপ্তপ্রায় সামগ্রী, আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ব্যবহার্য উপকরণ, বনজীবীদের ব্যবহার্য সামগ্রী, পরিবেশবান্ধব চুলা, স্থানীয় জাতের বীজ, ধান ও চাল, হস্তশিল্প, মাটির তৈজসপত্র, শুকনা খাবার, হাতে আঁকা চিত্রের মাধ্যমে উপকূলের সংকট ও প্রাণবৈচিত্র্য এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি রূপান্তরের উদ্যোগ তুলে ধরেন।

একই সাথে জারি-সারি পরিবেশন, চিত্রাঙ্কন ও দেয়ালিকা প্রদর্শন করা হয়। এতে স্থানীয় জনগণ, শিক্ষার্থী, নারী সংগঠক, যুবসমাজ ও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
মেলায় ঈশ্বরীপুর ইউনিয়ন গ্রীণ কোয়ালিশনের সভাপতি এম. জিল্লুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম।

উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন, বারসিক এর পরিচালক ও প্রাণবৈচিত্র্য গবেষক পাভেল পার্থ।

আরও বক্তব্য রাখেন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা এস.এম দেলোয়ার হোসেন, বারসিকের সহযোগী আঞ্চলিক সমন্বয়কারী রামকৃষ্ণ জোয়ারদার, শংকর ¤্রং, শ্যামনগর গ্রীণ কোয়ালিশনের সভাপতি কৃষ্ণানন্দ মুখার্জী, সদস্য রণজিৎ বর্মন, নেত্রকোনার আল্পনা নাফাক, কামনা হাজং, বনজীবী শেফালী বিবি,  যুব স্বেচ্ছাসেবক সাইদুল ইসলাম প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর বাস্তব অভিজ্ঞতা ও উদ্ভাবনী উদ্যোগকে জাতীয় নীতি প্রণয়নে গুরুত্ব দিলে টেকসই জলবায়ু অভিযোজন সম্ভব হবে। এ ধরনের আয়োজন স্থানীয় জ্ঞানকে সামনে এনে নীতি-নির্ধারক ও নাগরিক সমাজের মধ্যে সংযোগ তৈরি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বক্তারা আরও বলেন, উপকূল এবং হাওর অঞ্চলে জলবায়ু সংকট তীব্র আকার ধারণ করছে। এর ভেতরেও দেশীয় বীজ ও প্রাকৃতিক সম্পদ এবং স্থানীয় অভিযোজন কৌশলের মাধ্যমে টিকে থাকার চেষ্টা করছেন গ্রামীণ জনগোষ্ঠী। স্থানীয় অভিযোজন কৌশলকে শক্তিশালী করতে জলবায়ু অর্থায়ন দরকার। স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে সরাসরি গ্রামের মানুষ নিজেদের জলবায়ু পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারে। স্থানীয় মানুষের অভিযোজন সংগ্রামকে জাতীয় পরিকল্পনায় যুক্ত করতে হবে। সবার জন্য জলবায়ু তহবিল নিশ্চিত করতে হবে।





Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy