প্রকাশ: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১:৫৫ পিএম (ভিজিট : ২৬৪)

X
আনন্দের স্ত্রী, ছেলে ও মেয়ে
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের আনন্দ হালদার দীর্ঘ বছর ধরে মাদক কারবারের অভিযোগে এলাকায় পরিচিত। আনন্দের নামে এ পর্যন্ত ১০-১৫টি মামলা হয়েছে, যার বেশিরভাগই মাদক সংক্রান্ত। বর্তমানে তিনি মাদক মামলায় জেলে রয়েছেন।
তবে আনন্দের পরিবার দাবি করছে, তিনি এখন আর মাদকের সাথে যুক্ত নন। পরিবারের অভিযোগ, স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার চেষ্টা করলেও পুলিশ তাকে ছাড়ছে না। আনন্দের স্ত্রী কনিকা হালদার জানান, সংসারে অভাবের কারণে এক সময় স্বামী মাদকের ব্যবসায় জড়িয়েছিলেন। কিন্তু এখন ছেলে-মেয়ে বড় হয়ে গেছে, তাই তিনি ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছেন।
আনন্দের স্ত্রী কনিকা হালদার বলেন, “স্বামীর জামিনের জন্য বারবার আদালতের চक्कर দিতে হচ্ছে, আর সংসার চালানোও কঠিন। আমাদের ১০ কাঠা জমি আছে, সেই নিয়েই সংসার চালাচ্ছি। সরকার যদি ফ্যামিলি কার্ড বা অন্যভাবে সহযোগিতা করত, তাহলে বেঁচে থাকার উপায় হতো।”
দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা সুব্রত মণ্ডল বলেন, “মাদক যুব সমাজকে ধ্বংস করছে। কঠোর হস্তে দমন করা প্রয়োজন। কিন্তু আনন্দ যদি খারাপ জগৎ থেকে ভালো পথে ফিরে আসে, সেটি পরিবারের এবং সমাজের জন্য মঙ্গল।”
চিতলমারী থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “আনন্দ যদি সত্যিই মাদকের সাথে যুক্ত না থাকে এবং ভালো পথে ফিরে আসে, পুলিশ তাকে হয়রানি করবে না। তবে এটা শুধু বলা নয়, প্রমাণ করতে হবে।”
আনন্দের পরিবার চাইছে অতীতের কলঙ্ক ঘুচিয়ে স্বাভাবিকভাবে বাঁচতে এবং স্বামীকে মুক্তি দেওয়া হোক, যাতে তারা দু’টি ছেলে-মেয়ের সঙ্গে নতুন করে জীবন গড়ে তুলতে পারে।