প্রকাশ: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৫:৪৯ পিএম (ভিজিট : ৬০)

X
সংগৃহীত ছবি
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টানা ৭ দিনের ছুটি (১৭ থেকে ২৩ মার্চ) ঘোষণা করেছে সরকার। তবে প্রতিবারের ন্যায় এবারও ঈদ-উল-ফিতরের ছুটিতে বিশেষ ব্যবস্থায় চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম চালু রাখা হবে বলে জানিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।
টানা ছুটি চলাকালীন ও তৎপরবর্তী সময়ে দেশের আমদানি রপ্তানির কার্যক্রম গতিশীল রাখার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস পৃথকভাবে বিশেষ ব্যবস্থায় পর্যাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োজিত রাখবে।
ইতোমধ্যে এই টানা ছুটির দিনে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সীমিত আকারে চলমান রাখার জন্য দেশের সব কাস্টম হাউস ও শুল্ক স্টেশন চালু রাখার নির্দেশনা দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এ-সংক্রান্ত আদেশ জারি করেছে এনবিআর। এ ছাড়া আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালনার সুবিধার জন্য এ নির্দেশের কথা বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই, ফরেন চেম্বার, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার্স এসোসিয়েশন, শিপিং এজেন্টস এসোসিয়েশনসহ সব পক্ষকে জানানো হয়।
পোশাক রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএর অনুরোধে এনবিআর কাস্টম হাউস খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি বন্দর কর্তৃপক্ষও তাদের কার্যক্রম চালু রাখে। তবে বন্দরের ক্ষেত্রে পূর্বের ন্যায় শুধুমাত্র ঈদের দিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ৮ ঘণ্টা বন্দরের সব ধরণের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এরপর সব কার্যক্রম শুরু হবে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, বিভিন্ন ব্যবসায়িক সংগঠনের অনুরোধে বিগত কয়েক বছর যাবত পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর এবং ঈদ উল আযহার সময়ে পর্যাপ্ত সংখ্যক কর্মচারীকে অধিকাল ভাতায় নিয়োজিত করে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার ব্যবস্থা নেয়া হয়। কিন্তু সেই তুলনায় আমদা-ি নকারকদের বন্দর হতে পণ্য ডেলিভারি নেয়ার পরিমাণ খুবই নগণ্য থাকে। তবে চাইলেই সকল আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরা ঈদের ছুটি চলাকালীন সময় স্বাভাবিক সময়ের ন্যায় চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পণ্য ডেলিভারি নিতে পারবেন।