প্রকাশ: রোববার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১:৩৯ পিএম (ভিজিট : ১৬৮)

X
সংগৃহীত ছবি
বাগেরহাটের চিতলমারীতে আসন্ন ঈদকে ঘিরে জমে উঠেছে কেনাকাটা। শাড়ি এবং তৈরি পোষাক ও প্রসাধনী কিনতে বিভিন্ন দোকানে ভিড় জমাচ্ছেন ক্রেতারা। ঈদকে ঘিরে অনেকে প্রয়োজনীয় পোষাক ও প্রসাধনীসহ অন্যান্য জিনিসপত্র কিনতে ছুটছেন মার্কেটে। ফলে স্থানীয় বাজারে ভিড় বেড়েছে ক্রেতাদের।
১২ মার্চ বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, অনেকেই ঈদের কেনা-কাটা করতে বাজারে এসছেন। তাদের পছন্দের পোষাক ও অন্যান্য সামগ্রী কিনতে বিভিন্ন দোকান ঘুরে দেখছেন। পছন্দমতো পোষাক ও অন্যান্য সামগ্রী কিনতে এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ঘুরে দেখছেন। এ বছর নারীদের পছেন্দরে তালিকায় রয়েছে লেহেঙ্গা টু-পিচ ও তানাবানা কাতান শাড়ি। এছাড়া বেনারশী, সিল্ক, জামদানি ও প্রিণ্টের শাড়ি বিক্রিতে বেশ সাড়া পড়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
বিশেষ করে এসব কেনা-কাটা করতে নারী ক্রেতারাই অধিকাংশ এসেছেন মার্কেটে। পাশাপাশি পঞ্জাবী ও ছেলেদের পোষাক কিনতে তরুণদেরও ভিড় দেখা গেছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর বেচা-কেনা বেশ ভালো বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
এলাকার দোকানিদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, চিতলমারী সদর বাজারে ভালো মানের পোষাক ও অন্যান্য জিনিসপত্র সুলভ মূল্যে পাওয়া যায়। ফলে প্রতি বছরই ঈদে এলাকা এবং বাইরের উপজেলার ক্রেতারা এখানে এসে ভিড় জমান। এবার ঈদে ভালো বেচা-কেনার আশায় তৈরি পোষাক ও শাড়ি বিক্রেতারা বাহারি ডিজাইনের নানা পোষাক বাজারে নিয়ে এসেছেন।
চিতলমারী সদর বাজারের মেসার্স বৈদ্য নাথ গার্মেন্টেসের স্বত্বাধিকারী বাদল সাহা জানান, বিগত বছরের চেয়ে এবার ঈদকে ঘিরে বেশ ভালো বেচা-কেনা হচ্ছে। বিশেষ করে নারী ক্রেতাই অনেক উৎসাহ নিয়ে কেনাকাটা করছেন। মেয়েদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে লেহেঙ্গা টু-পিচ ও ছেলেদের কাবলি পাঞ্জাবী।
চিতলমারী বাজারে পোষাক কিনতে আসা লিমা, আক্তার, ফতেমা ও হাসান শেখ জানান, ঈদের কেনা-কাটা করতে মার্কেটে এসেছেন। যেহেতু ঈদের আর বেশিদিন বাকি নেই সেজন্য আগে-ভাগে ভিড় জমার আগে মার্কেট সেরে ফেলছেন।
স্থানীয় শাড়ি ব্যবসায় ভাই ভাই বস্ত্রালয়ের স্বত্বাধিকারী লিটন মোল্লা জানান, শাড়ির মধ্যে ইÐিয়ান তানাবানা কাতান শাড়ির চহিদা রয়েছে। পাশাপাশি জামদানি, বেনারশি ও প্রিণ্টের শারিও প্রচুর বিক্রি হচ্ছে।
প্রসাধনী বিক্রেতা সোহেল শেখ জানান, এ বছর অনেক ভালো বিক্রি হচ্ছে পণ্য-সামগ্রী। বাজারে ক্রেতাদেরও বেশ ভিড় রয়েছে।