
X
সংগৃহীত ছবি
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ঈদ বাজারে চলছে শেষ মুহুর্তে র বেচা কেনা। ইতিমধ্যেই শতকরা সত্তর ভাগ লোক ঈদের কেনা কাটা সেড়ে ফেলেছেন বলে জানা গেছে।
বাকী ৩০ শতাংশ লোকের কেনাকাটায় উৎসব মুখর হয়ে উঠেছে উপজেলা প্রপারের শপিংমল গুলো।রোববার শপিংমল গুলো ঘুরে দেখা গেছে নারী পুরুষের প্রচুর ভীড়। দোকানে থাকা কিশোর সহযোগিরা কাষ্টমারদের আকৃষ্ট করতে নানা ভাবে ডাকছে। ক্রেতারাও তাদের পছন্দমত দোকান থেকে পছন্দসই পণ্য কিনতে ব্যবস্ত হয়ে পড়েছে।
উপজেলা প্রপারে শপিং মল রয়েছে ১০ টির ও বেশি। শপিং মল গুলো হচ্ছে, দুবাই প্লাজা, পিংকি সুপার মার্কেট, হাবিব সুপার মার্কেট, নিউ মার্কেট, শাহাজালাল সুপার মার্কেট, ইদ্রিস ম্যানশন, ভাই ভাই প্লাজা, খান মার্কেট, খোরশিদ আলম সুপার মার্কেট, কাদির সুপার মার্কেট সহ আরো বেশ কয়েকটি ছোট ছোট মার্কেট। এর মধ্যে হাবিব সুপার মার্কেট জুতা এবং মহিলাদের প্রসাধনী বিক্রির জন্য পরিচিত। বাকী সব গুলো মার্কেটে কম বেশি সব কিছুই পাওয়া যায়।
দুবাই প্লাজায় অবস্থিত বাচ্চাদের পোশাকের জন্য পরিচিত কাপড়ের দোকানদার আরমান জানান, আমার দোকানে শাড়ি, লুঙ্বাগি থেকে শুরু করে বাচ্চদের নানা রকম পোষাক আছে। এর মধ্যে কটি সেট, সিঙ্গেল শার্ট, সিঙ্গেল প্যান্ট, গেঞ্জির সেট, ইন্ডিান নারাগাট, পাখি ড্রেস, সূতি জামা রয়েছে যে গুলো ৪ শ টাকা থেকে শুরু করে ৪ হাজার ৫ শ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা হয়ে থাকে। ২/১ দিনের মধ্যে কেনা বেচা আরো বাড়বে। কারণ ২/১ দিনের মধ্জযে সব গুলো গার্মেমেন্টস ফ্যাক্টরীর শ্রমিকদের বেতন হবে। তিনি আরো জানান, তার দোকানে প্রতিটি শাড়ী ৪ শ ৫০ টাকা থেকে শুরু করে ২ হাজার ৫ শ টাকায়, লুঙ্গি ৩ শ থেকে ১ হাজার ৬ শ টাকায় এবং বড়দের ড্রেস ১ হাজার টাকা থেকে ৩ হাজার ৫ শ টকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
অপর দিকে ফটপাতের দোকান গুলোতেও কেনা বেচা চলছে ভাল। ফুটপাতের দোকান গুলোতে অনেক আগে থেকেই কেনা বেচা জমে উঠে বলে জানান হকার্স মার্কেটের একাধিক দোকানী।
ক্রেতাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ঈদ উপলক্ষে জামা কাপড়ের দাম অনেক বেশি হাকা হচ্ছে। তাই দাম যাঁচাই করার জন্য অনেক দোকান ঘুরতে হচ্ছে। কিন্তু দোকান ঘুরলেও সব দোকানেই পণ্যের দাম বেশি রাকা হচ্ছে।
নিউ মার্কেটের জুতার দোকান গুরোতেই একই অবস্থা লক্ষ্য করা্ গেছে।