বাগেরহাটের চিতলমারীতে চরম খাদ্য সংকটে পড়েছে কুকুর। খাদ্যের জন্য এরা পোষা প্রণীর উপর আক্রমণ চালাচ্ছে।
কুকুরের খাদ্যের যোগান না থাকায় দিন দিন প্রাণীগুলো হিংস্র হয়ে উঠেছে। এতে প্রভু ভক্ত এ প্রাণীটি এখন মানুষের বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়িছে। কুকুরের এ খাদ্যের সমস্যা দুর করার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার সচেতন মহল।
স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে জানা গেছে, পোষা কুকুরের পাশাপাশি এলাকার বিভিন্ন গ্রামে-গঞ্জে শত শত বেওয়ারিশ কুকুর রয়েছে। তাদের খাদ্যের কোন ব্যবস্থা নেই। ফলে ক্ষুদার জ্বালায় প্রতিনিয়ত মানুষের হাঁস, মুরগি ও গরু-বাছুরের উপর আক্রমণ চালাচ্ছে। এতে পোষা প্রাণীগুলো হুমকিতে রয়েছে। কুকুরের খাদ্য সংকট দুর করা হলে প্রাণীদের উপর আক্রমণ কমে যাবে বলে জানান অনেকে। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখার দাবি জানিয়েছেন অনেকে।
এলাকার প্রাণী ও পাখি প্রেমী বাবলু মন্ডল, জানান, এক সময় গ্রামে কুকুরের খাবারের তেমন অভাব ছিলো না। মানুষের উচ্ছিষ্ট খাবার কুকুরকে খেতে দিত এখন সেগুলি এলাকার মৎস্য ঘেরে মাছকে খেতে দেয়ে।
এছাড়া বাড়িতে পালিত হাঁস-মুরগিকে খেতে দেওয়া হয়। পাশাপাশি আশপাশের ভাগড়ে যেসব নষ্ট খাবার ও বিভিন্ন প্রাণীর মরা দেহ ফেলা হত সেগুলি পরিবেশ গত কারণে এখন গর্তে পুঁতে রাখা হয় ফলে কুকুরের খাদ্য সংকট বেড়ে গেছে। কুকুর যেহেতু একটি প্রাণী তাদের বেঁচে থাকার জন্য আমাদের সাহায্যের প্রয়োজন রয়েছে। সকলে যাদি তাদের নষ্ট খাবার কুকুরকে খেতে দেন তাহলে তারা বেঁচে থাকতে পারবে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা মো. আহমেদ ইকবাল জানান, কুকুরের খাদ্য সংকটের বিষয়টি জাতীয় ভাবে উদ্যোগ নেওয়া দরকার। সেটি না হলে এর সমাধান সম্ভব নয়। দিন দিন কুকুরের সংখ্যা বাড়ছে কিন্তু তাদের খাদ্যের কোন যোগান নেই। আগে যত্র-তত্র খাবার পেত কুকুর কিন্তু এখন আর তেমন বাইরে খাবার মেলে না ফলে মানুষের হাঁস,মুরগি ও ছাগলের উপর কুকুরের আক্রমণ বেড়ে গেছে। বিষয়টি বনবিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সকলের ভেবে দেখা জরুরী।