প্রকাশ: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬, ৯:০৬ পিএম (ভিজিট : ৪৭৮)

X
ঈদ উদযাপন
ঈদের আগের দিন বন্দিদের মাঝে নতুন পোশাক বিতরণের মাধ্যমে ঈদ উদযাপনের সূচনা হয়। পোশাকের ভিতরে ছিলো পাঞ্জাবি, লুঙ্গি, শাড়ি ওমায়ের সাথে থাকা বাচ্চাদের পোশাক। মহিলা বন্দিদের জন্য ছিল মেহেদী উৎসবের আয়োজন। সাথে বিভিন্ন কসমেটিক্স প্রদান করা হয় যেমন নেইল পালিশ, লিপিস্টিক মেকআপ বক্স বিতরণ করা হয়।
বিশেষ খাবারের আয়োজন শুরু হয় ঈদের আগের দিন ২০ তারিখ রাত থেকেই। সারাদিনব্যাপী সকল উপক্রম উপকরণ সংগ্রহ করা হয় এবং সন্ধ্যার সময় গরু খাসি জবাই করে সারারাত ধরে শুরু হয় সেটার কাটাকাটি মসলা বাটা বাটি এবং সকল রান্নাবান্নার আয়োজন। বন্দী দের জন্য সকালের নাস্তা ছিল পায়েস ও মুড়ি। দুপুরের খাবারে ছিল পোলাও, রোস্ট মাংস খাসির, গরুর মাংস কমল পানীয়, মিষ্টি পান সুপারি ও সালাদ। রাতের খাবারের জন্য আছে সাদা ভাত, রুই মাছ ভাজি, আলুর দম, মুরগি ও ছোলার ডাল দিয়ে লটপটি।
বন্দীদের ঈদের জামাতে নামাজ পড়ানো হয়। প্রায় ২৫০০ লোককে দুইটা জামাতের মাধ্যমে ঈদের নামাজ পড়ানো হয়। সেখানে শুধু বন্দিরাই নামাজ পড়ে না সাথে কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও একই সাথে একই কাতারে মিলেমিশে ঈদের নামাজ আদায় করেন। জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল আটটায় একটা এবং সকাল সাড়ে আটটায় আরেকটা। কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও ছিলেন কর্মকর্তা কর্মচারী এবং বন্দীরা মিলে মিশে সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করে ঈদ উদযাপন করেছে।
এছাড়া এই বিশেষ দিনে বন্দীদের স্বজন যারা বন্দীদের সাথে দেখা করার জন্য তাদের জন্যও ছিল আলাদা আয়োজন।সবাইকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়া হয়, ছোট ছোট বাচ্চাদেরকে দেয়া হয় বেলুন, চকলেট লজেন্স এবং বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি যা ঈদের আমেজকে বাড়িয়ে তোলে। এছাড়া আগে তো দর্শনার্থীদের জন্য রয়েছে স্বাস্থ্য সেবা ক্যাম্পও।
এছাড়া বন্দীদের জন্য ঈদ উপলক্ষে আরো কিছু সুযোগ সুবিধা রয়েছে পাঁচ মিনিট মোবাইলে পরিবারের সাথে কথা বলতে পারবেন। পারবেন স্বজনদের সাথে দেখা করতে।বাড়ির রান্না করা খাবারও তার স্বজনরা দিতে পারবেন। বিকালে তাদেরকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের নিজেরা নিজেদের মতো করে মজা করে সবার মাঝে ভাগাভাগি করে নেন বন্দি এবং কারা কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ।