টানা চতুর্থ বার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

অনলাইন ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রাজনীতিতে টানা চতুর্থবার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন আলোচিত নেত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রীমমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনৈতিক

2026-03-24T17:52:05+00:00
2026-03-24T17:52:05+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
টানা চতুর্থ বার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬, ৫:৫২ পিএম   (ভিজিট : ২৩৯)
সংগৃহীত ছবি
X

সংগৃহীত ছবি

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রাজনীতিতে টানা চতুর্থবার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন আলোচিত নেত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা এবং সাম্প্রতিক সমীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে তিনি প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় এগিয়ে আছেন। এবারের নির্বাচনেও ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস পুনরায় জয় পাওয়ার সম্ভাবনা উজ্জ্বল।

মমতার নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেসের অবস্থান শক্তিশালী হওয়ায় রাজ্যের রাজনীতিতে তাঁর প্রভাব ক্রমেই বেড়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি পুনরায় মুখ্যমন্ত্রীর পদে নির্বাচিত হওয়া সম্ভাব্য। বাংলাদেশ লাগোয়া ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধান সভা নির্বাচন দুয়ারে কড়া নাড়ছে। আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় হবে এই নির্বাচন। আর ফলাফল ঘোষণা হবে ৪ মে। 

তৃণমূল নেত্রী পুনরায় মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন এমন ইঙ্গিত মিলল মুকেশ আম্বানির মালিকানাধীন ‘নিউজ-১৮’ এর জনমত সমীক্ষায়।

সোমবার (২৩ মার্চ) প্রকাশিত ওই জনমত সমীক্ষায় বলা হয়েছে, গতবারের চেয়ে আসন কমলেও এবারেও নবান্নের চৌদ্দতলায় থাকছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল কংগ্রেস পেতে চলেছে ১৮৪ থেকে ১৯৪ আসন। বিজেপি বড়জোড় পেতে পারে ৯৮ থেকে ১০৮টি আসন৷

অন্যান্যরা পেতে পারে ৩টি আসন৷ অর্থা‍ৎ গতবারের চেয়ে আসন বাড়লেও সরকার গঠনের ম্যাজিক ফিগার থেকে অনেক দূরেই থমকে যেতে হচ্ছে নরেন্দ্র মোদির দলকে।

‘নিউজ-১৮’ এর জনমত সমীক্ষা অনুযায়ী, তৃণমূলের ঝুলিতে যেতে পারে ৪১.৯ শতাংশ ভোট। বিজেপি পেতে পারে ৩৪.৯ শতাংশ ভোট। অর্থা‍ৎ প্রধান দুই দলের ভোটের পার্থক্য সাত শতাংশ। 

একলা লড়তে যাওয়া কংগ্রেসের ভোট শতাংশ তলানিতে ঠেকছে। শতাব্দী প্রাচীন দল পেতে পারে ৩.৬ শতাংশ ভোট। বামফ্রন্ট পেতে পারে ৪.১ শতাংশ ভোট। অন্যান্যরা পেতে পারে ২.৫ শতাংশ ভোট। ১৩ শতাংশ ভোটার অবশ্য এখনও মনস্থির করতে পারেননি।

জনমত সমীক্ষাতেই স্পষ্ট, কংগ্রেস ও বাম প্রার্থীরা শূন্যের গেরো নাও কাটাতে পারেন। শুধু তাই নয়, দুই শিবিরের প্রার্থীদের জামানত খোয়ানোর লজ্জা পেতে হবে।

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে পছন্দের দিক থেকে বিজেপির মুখ তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর চেয়ে কয়েক যোজন এগিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তৃণমূল প্রধানকে চান ৪৮.৫ শতাংশ উত্তরদাতা। আর শুভেন্দুকে পছন্দ করছেন ৩৩.৪ শতাংশ উত্তরদাতা৷ অর্থা‍ৎ বিজেপিকে যারা মসনদে দেখতে চান তাদের ১.৫ শতাংশও শুভেন্দুকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান না।

গত পাঁচ বছরের কাজের নিরিখে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের কাছে পাস মার্কের চেয়েও বেশি নম্বর পেয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। গত পাঁচ বছরে তৃণমূল সরকারের কাজকে ভালো অথবা খুব ভালো বলে মত দিয়েছেন ৪৩.৩ শতাংশ উত্তরদাতা৷ রাজ্য সরকারের গত পাঁচ বছরের পারফরম্যান্সকে খারাপ বলে মত দিয়েছেন ১৮.৩ শতাংশ৷ আর ২০.৬ শতাংশ উত্তরদাতা রাজ্য সরকারের কাজকে খুব খারাপ বলে মত দিয়েছেন৷

২০১১ সালে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গের ৩৪ বছরের বামফ্রন্ট সরকারকে পরাজিত করে ক্ষমতায় আসে। ২০১৬ এবং ২০২১ সালের নির্বাচনেও বিজয়ের ধারা অব্যাহত রাখে তৃণমূল কংগ্রেস। এবার জিতলে দলটি টানা চতুর্থ বারের মতো পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় বসবে। আর মুখ্যমন্ত্রী হবেন দলের সভানেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।

অগ্নিকন্যা হিসেবে খ্যাত মমতা বন্দোপাধ্যায় দীর্ঘদিন ভারতের কংগ্রেস পার্টির নেত্রী ছিলেন। তিনি ভারতের কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেটে দুইবার রেল, একবার কয়লা এবং একবার মানবসম্পদ উন্নয়ন, যুব, ক্রীড়া, নারী ও শিশুকল্যাণ বিভাগের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ভারতের লোকসভার একাধিকবারের সদস্য। ব্যক্তিগত জীবনে অবিবাহিত মমতা বন্দোপাধ্যায় একজন লেখক ও সংস্কৃতিসেবী হিসেবে পরিচিত।




  বিষয়:   মুখ্যমন্ত্রী  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়  তৃণমূল কংগ্রেস  পশ্চিমবঙ্গ 



Loading...
Loading...


আন্তর্জাতিক এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy