প্রকাশ: শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬, ৪:৫৯ পিএম (ভিজিট : ৫০)

X
সততা দইয়ের কারখানায় আগুন
বগুড়া সারিয়াকান্দির ঐতিহ্যবাহী সততা দইয়ের কারখানায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। আগুনে কারখানার বেশকিছু মালামালসহ প্রায় ১২০০ কেজি মিষ্টি নষ্ট হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৩ টার দিকে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। সারিয়াকান্দি ফায়ার সার্ভিস এবং স্হানীয়দের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানাযায়, গত বৃহস্পতিবার রাত ৩ টার দিকে উপজেলার ফুলবাড়ি ইউনিয়নের গোয়ালবাতান গ্রামে অবস্থিত সততা দইয়ের কারখানায় আগুন লাগে। কারখানায় থাকা কারিগর এবং স্হানীয়রা প্রাথমিকভাবে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। পরে সংবাদ পেয়ে সারিয়াকান্দি ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। কারখানার কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে জানা গেছে, আগুনে কারখানায় ঈদ উপলক্ষ্যে তৈরি করা প্রায় ১২০০ কেজি মিষ্টি এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া কারখানার যে কক্ষে আগুন লেগেছিল, সেই কক্ষে ১১০ বস্তা চিনি, ২ কেজি হরলিক্স, ১৪০ বস্তা ময়দা, ৩১১ কেজি বেসন, ২৬ কেজি সুজি, ৫৭৮ লিটার তেল, ৭০ কেজি গুর, ২০০ মণ খড়ি এবং ঘি, ডালডা, ওবালটিনসহ বেশকিছু মালামাল মজুদ ছিল। যার সবগুলোই আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া কারখানার উপরের বাঁশের বেশকিছু আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাদের ধারণা অনুযায়ী আগুনে তাদের প্রায় ১২ লাখ টাকার মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে পাশেই দইয়ের কারখানায় আগুন লাগেনি। এতে দইয়ের কারখানায় তৈরি করা প্রায় ১২ লাখ টাকার দই ও মালামাল রক্ষা পেয়েছে।
সততা দইয়ের সত্ত্বাধিকারী শহিদুল ইসলাম মজনু বলেন, রাত ৩ টার দিকে মোবাইলে কারাখানায় আগুন লাগার সংবাদ পাই। সংবাদ পেয়ে দ্রুত কারখানায় গিয়ে দেখি দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে। পরে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছে। এতে আমার প্রায় ১২ লাখ টাকার মতো মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমার ব্যবসার মূলধন নিমিষেই আগুনে পুড়ে নষ্ট হয়েছে।
আমি কিভাবে এ ক্ষতি কাটিয়ে উঠবো, একেবারে নিঃশেষ হয়ে গেছি।
সারিয়াকান্দি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ফায়ার লিডার সুজন মিয়া বলেন, ঘটনার সংবাদ পাওয়া মাত্রই আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগতে পারে। ক্ষয়ক্ষতির হিসাব নিকাশ করে দেখা গেছে কারখানার মালিকের ৭ লাখ টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে।