কুতুবদিয়া ও মগনামা জেটিঘাটে চিকন কাঠের তক্তা বেয়ে সী-ট্রাকে উঠানামা করছে যাত্রীরা। ওই দুই জেটিঘাটে তক্তা বেয়ে পন্টনে উঠানামা করে। আবার পন্টন থেকে সী-ট্রাকে উঠানামার পথে বাজারের নিত্যপণ্যের জিনিসপত্র এলোপাতাড়ি করে রাখায় ভোগান্তি শিকার হচ্ছে এসব যাত্রী। যেন কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনায় বাধ্য হয়ে যাত্রীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উঠানামা করছে। এদিকে, সাগরে ভাটার সময় কাঠের তক্তা খাড়া হওয়ায় দ্বিগুণ ঝুকিতে উঠানামা করতে হয়। যাত্রীর পাশাপাশি মালপত্রও সেখান দিয়ে ওঠানো–নামানো হয়। এতে ছোটখাটো দূর্ঘটনা লেগেই আছে। সোমবার জেটিঘাট গুলোতে ঘুরে যাত্রীদের ভোগান্তির এ চিত্র চোখে পড়ে।
বড়ঘোপ ইউনিয়নের জাহানারা বেগম, রোকেয়া বেগম ও আনিছা বেগমসহ অনেক মহিলা যাত্রীরা জানান, পন্টুন ভাটার সময় নিচে দিকে থাকার কারণে কাঠের তক্তা বেয়ে উঠানামা করতে মহিলা যাত্রীরা আতঙ্কে থাকেন। এতে যেকোনো মুহুর্তে পা পিছলে সাগরে পড়ার আশংকা রয়েছে। দূর্ঘটনা না ঘটার আগে যাত্রী উঠানামার জন্য সুব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ করেন তারা।
কুতুবদিয়ার আলী আহমেদ, সাব্বির সাদেক, হোছাইন আলীসহ অনেকেই জানান, জেটিঘাটে কুতুবদিয়ার মানুষের কোন মূল্য নেই। আমাদের জন্য তেমন সমস্যা না হলেও মহিলারা কোন র্যালিং ছাড়াই এ চিকন কাঠের তক্তা বেয়ে উঠানামা করছে। এতে কোন দূর্ঘটনা ঘটলে দায়ভার কে নিবে?
জেটিঘাট থেকে পন্টনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাত্রীরা কাঠের তক্তা বেয়ে উঠানামা করার বিষয়ে কুতুবদিয়ার নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আব্দুর রহমান জানিয়েছেন, জেটিঘাটে তক্তা বেয়ে উঠানামা বড় ঝুঁকি এটা দ্রুত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা নেয়া হবে।