প্রকাশ: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৫ পিএম (ভিজিট : ২৫৩)

X
দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) বুধবার (৮ এপ্রিল) পালিত হলো প্রতিষ্ঠার ২৫তম দিবস। দিনব্যাপী নানা কর্মসূচিতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ পুরো ক্যাম্পাসে উৎসবের আবহ বিরাজ করেছে।
সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠ-০১ (আবরার ফাহাদ হল মাঠ) থেকে শুরু হয় ৫০০০ মিটার মিনি ম্যারাথন। সকাল ১০টায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় সংগীতের সাথে জাতীয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. এম. এনামউল্যা। এরপর শান্তির প্রতীক পায়রা অবমুক্তকরণ ও বেলুন উড্ডয়নের মাধ্যমে উৎসবের সূচনা হয়।
পতাকা উত্তোলনের পর প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে শুরু হওয়া আনন্দ র্যালি শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ, বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন এবং উপাচার্যের বাণী পাঠ করা হয়। উপাচার্য তার বাণীতে বলেন, “হাবিপ্রবির ২৫তম প্রতিষ্ঠা দিবস একটি ঐতিহাসিক দিন, অন্যদিকে আমাদের জন্য এক আনন্দঘন মুহূর্ত ও গৌরবময় অধ্যায়। উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার উৎকর্ষ সাধন এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির আধুনিক চাহিদার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিরলসভাবে কাজ করছে।” তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, বহুজাতিক শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ, গবেষণা ও উদ্ভাবনের অগ্রগতি এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন তুলে ধরেন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়কে Center of Excellence হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এরপর টিএসসি প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় কেক কাটা অনুষ্ঠান এবং শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা। দুপুরে মজার স্কুলের অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদে অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ মোনাজাত ও দোয়া।
বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপনে উপস্থিত ছিলেন প্রো ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. শফিকুল ইসলাম শিকদার, ট্রেজারার প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর কবির, প্রক্টর প্রফেসর ড. নওশের ওয়ান, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক প্রফেসর ড. এস এম এমদাদুল হাসান, রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. আবু হাসানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
দিনব্যাপী এই আয়োজন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের গৌরবময় অধ্যায়কে স্মরণ করিয়ে দেয় এবং শিক্ষার্থীদের ঐক্য, মানবিকতা ও সৃজনশীলতার প্রতীক হয়ে ওঠে।