
X
মুকসুদপুরে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত
“উদ্ভাবনের পথে এগিয়ে চলুক বাংলাদেশ, উদ্ভাবননির্ভর বাংলাদেশ গঠনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উপলক্ষে বিজ্ঞান মেলা, বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) মুকসুদপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে দিনব্যাপী এ আয়োজন করে উপজেলা প্রশাসন, যেখানে সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিল জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ আশি কবির। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে টিকে থাকতে হলে প্রযুক্তিনির্ভর জ্ঞান অর্জনের বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও গবেষণামুখী মনোভাব গড়ে তুলতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুকসুদপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস ছালাম খান ও সাধারণ সম্পাদক তারিকুল ইসলাম রাজু।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রায়হান ইসলাম শোভন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মিজানুর রহমান, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রাকিবুল হাসান শুভ, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সায়্যদ উদ্দীন আহম্মেদ, উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা আব্দুল কাদেরসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা। এ সময় মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. ছিরু মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক কাজী মো. ওহিদুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন।
বিজ্ঞান মেলায় উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে তাদের উদ্ভাবনী প্রকল্প ও বৈজ্ঞানিক ধারণা উপস্থাপন করে। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ছিল সরকারি মুকসুদপুর কলেজ, সরকারি সাবের মিয়া জসিমউদ্দিন (এস.জে.) মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, মুকসুদপুর পাইলট বালক উচ্চ বিদ্যালয়, বাটিকামারি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বোয়ালিয়া নেজামুদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়, মৌলভী আব্দুল হাই মেমোরিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, জসিমুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়, জলিরপাড় বঙ্গরত্ন মহাবিদ্যালয় এবং জলিরপাড় জে.কে.এম মল্লিক উচ্চ বিদ্যালয়।
দিনব্যাপী এ আয়োজনের অংশ হিসেবে বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড ও বিজ্ঞানভিত্তিক কুইজ প্রতিযোগিতাও অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে শিক্ষার্থীরা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে অংশ নেয়। বিচারকদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে সেরা প্রকল্প ও প্রতিযোগীদের পুরস্কৃত করা হয়।
আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের মাঝে বিজ্ঞানমনস্কতা, সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী চিন্তা বিকাশের লক্ষ্যে প্রতিবছর এ ধরনের আয়োজন করা হয়। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এ আয়োজন অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।