বট বাহিনীর ওপর বিরক্ত শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, ফেসবুকে বট বহিনী আমাকে নিয়ে ভুয়া ফটোকার্ড বানায়, আমাকে নিয়ে ট্রল করে। এই বট বাহিনী কী যে শুরু করেছে আমাকে নিয়ে। আমি নাকি পরীক্ষার রুটিন দেব পরীক্ষার দিন, এসব অপপ্রচার চালায়। আমি বললাম, এইবার জিরো পাস করলেও এমপিও বাতিল হবে না; আর বট বাহিনী লিখে দিল- এবার ফেল করলে এমপিও বাতিল। এখন দেখা যায় ফেসবুকেই দেশ চালায়।
আজ শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
‘আই ওয়ান্ট টু সি এভরিথিং’ মন্তব্য করে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় কীভাবে কাজ করছে সেটা দেখার জন্য আমি মন্ত্রণালয়ে সেল বানাচ্ছি। ইউজিসির রিপোর্টও আমি নেব, আমার রিপোর্টও থাকবে।
এহছানুল হক মিলন বলেন, আমাদের জনসংখ্যার অভাব নেই। আমাদের ছাত্রছাত্রীর অভাব নেই। সুতরাং, বিশ্বের অন্যান্য দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রের অভাব; আমাদের সেই অভাব নেই। বিশ্বায়নের যুগে এগিয়ে যেতে আমাদের কোনো বাধা নেই। বিশ্বায়নের যুগে টিকে থাকতে না পরলে ভবিষ্যৎ অন্ধকার।
তিনি বলেন, সরকার বাজেটের কথা বলেছে, আমি সেটা নিতে পারছি না। আমি দেখলাম না আমাদের এই ইউনিভার্সিটির ভিসি এডুকেশনাল কোয়ালিটি কীভাবে ডেভেলপমেন্ট করা যায়, সেই খাতে একটি টাকাও চেয়েছে। আমার কাছে তো চাইতে হবে। সব সেই পুরোনো দিনের কথা শুধু বিল্ডিং, বিল্ডিং আর বিল্ডিং। কোয়ালিটি এডুকেশন লাগবে না। সেই জায়গায় আমরা অত্যন্ত দুর্বল।
অনুষ্ঠানের সূচি অনুযায়ী, সকাল ১১টায় অতিথি ও শিক্ষার্থীদের আসন গ্রহণের মধ্য দিয়ে কার্যক্রম শুরু হয়েছে । এরপর পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ, প্রধান ও বিশেষ অতিথিদের বরণ এবং নবাগত শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিক বরণ অনুষ্ঠিত হয়। নবীনদের পক্ষ থেকে বক্তব্য, স্বাগত বক্তব্য ও শুভেচ্ছা বক্তব্যের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কর্মকর্তারা পর্যায়ক্রমে বক্তব্য দেন ।
এদের মধ্যে রয়েছেন রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মো. আবু হাসান, প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. নওশের ওয়ান, পরিচালক (ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা) প্রফেসর ড. এস. এম. এমদাদুল হাসান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. এম. জাহাঙ্গীর কবির এবং প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. শফিকুল ইসলাম সিকদার।