চিতলমারীতে বোরো ফসল ঘরে তোলা নিয়ে চিন্তিত চাষিরা

চিতলমারী (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

সারাবাংলা

এ বছর বোরো ফসলের বাম্পার ফলন হলেও শেষ সময়ে এসে নতুন ফসল ঘরে তোলা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন

2026-04-18T12:34:05+00:00
2026-04-18T12:34:05+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
চিতলমারীতে বোরো ফসল ঘরে তোলা নিয়ে চিন্তিত চাষিরা
চিতলমারী (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
প্রকাশ: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩৪ পিএম   (ভিজিট : ২২৬)
চিতলমারীতে বোরো ফসল ঘরে তোলা নিয়ে চিন্তিত চাষিরা
X

চিতলমারীতে বোরো ফসল ঘরে তোলা নিয়ে চিন্তিত চাষিরা

এ বছর বোরো ফসলের বাম্পার ফলন হলেও শেষ সময়ে এসে নতুন ফসল ঘরে তোলা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন চাষিরা। একদিকে প্রতিদিন আসছে ঝড়-বৃষ্টি অন্যদিকে শ্রমিক সংকট ও ধানকাটা এবং মাড়াই মেশিন চালাতে তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। এতে বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার চাষিরা চরম হতাশায় ভুগছেন। 

স্থানীয় চাষিদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার কলাতলা, হিজলা, বড়বাড়িয়া, শিবপুর, চিতলমারী সদর, চরবানিয়ারী ও সন্তোষপুর ইউনিয়নে মাঠের জমিতে চিংড়ি চাষ করার পাশাপাশি অধিকাংশ ঘেরের জমিতে বিভিন্ন জাতের রোরো ধানের চাষ হয়েছে। কৃষি প্রধান এ অঞ্চলের চাষিরা সবসময়ই আগাম ফসল চাষাবাদে তৎপর থাকেন। চিংড়ি ঘেরের পাড়ে শশা,করোলা,টমেটো চাষের পাশাপাশি সেখানকার জমিতে বছরে একবার  রবি মৌসুমে বোরো ফসল চাষ করা হয়। এসব জমিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের হীরা-২, হীরা-৯, আলোরন, স্বাতী, ইস্পাহানি-২, ইস্পাহানি-৭সহ অসংখ্য জাতের ধান চাষ করা হয়েছে। পাশাপাশি কিছু দেশীয় জাতও রয়েছে। 

এসকল ধান চাষাবাদের মাধ্যমে চাষিদের সারা বছরের খোরাক ঘরে আসে। বোরো ফসলই চাষিদের খদ্য সংকট দূর করে থাকে। কিন্তু এ বছর ফসল ঘরে তোলা নিয়ে নানামুখি সংকট দেখা দিয়েছে। একদিকে রয়েছে ধান কাটা শ্রমিকের অভাব। অন্যদিকে ধান কাটার জন্য যন্ত্র নির্ভরশীল হওয়ায় ধান কাটা ও মাড়াই মেশিন চালাতে যে জ্বালানি তেলের চাহিদা রয়েছে সেটি প্রয়োজনের তুলনায় মিলছে সামন্য। যেটি দিয়ে ধান ঘরে তোলা সম্ভব নয়।

উপজেলার দুর্গাপুর মাঠের চাষি প্রতুল হালদার ও শ্যামপাড়া গ্রামের বোরোচাষি নির্মল মণ্ডলসহ অনেকে জানান, এ বছর ফসলে নানা রোগ-বালাই দেখা দিয়েছিল কিন্তু সেগুলি নানা সার-কীটনাশকের মাধ্যমে দূর করা হয়েছে। এখন ফসলে পাক ধরেছে। অনেক স্থানে ধান কাটা শুরু হয়েছে কিন্তু মেশিনের জন্য পর্যাপ্ত তেল মিলছে না। কৃষি অফিস থেকে তেলের জন্য যে কার্ড বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে সে কার্ড নিয়ে পাম্পে গিয়ে দীর্ঘ লাইন দিয়েও প্রয়োজনীয় তেল মিলছে না। এছাড়া ধানকাটা শ্রমিকের মূল্য অধিক হওয়ায় বর্তমানে এক মণ ধানের দামে মিলছে না একজন শ্রমিক। এতে কিভাবে ফসল ঘরে তুলবেন কিছুই ভেবে পাচ্ছেন না। 

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার সিফাত আল মারুফ জানান, চলতি বোরো মৌসুমে এলাকায়  ১২ হাজার ১৫৫ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের উচ্চ ফলনশীল ও দেশীয় জাতের বোরো ধানের আবাদ করা হয়েছে। এ বছর বোরো ফসলের বাম্পার ফলন হয়েছে। ফসল মাড়াই ও কাটার জন্য এ পর্যন্ত শতাধিক চাষিদের তেলের কার্ড দেওয়া হয়েছে তবে তেলের বিষয়টি কেবল এখানকার বিষয় নয় এটি আন্তর্জাতিক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কৃষি অফিস চাষিদের সার্বিক সহযোগিতার জন্য পাশে আছে বলে অভিমত দেন তিনি। 






Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy