টাঙ্গাইলে মাইকিং করে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, অর্ধশতাধিক বাড়ি ভাঙচুর

ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

সারাবাংলা

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে দোকান বাকি নিয়ে তুচ্ছ বিরোধকে কেন্দ্র করে মাইকে ঘোষণা দিয়ে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ, ভাঙচুর

2026-04-22T20:37:13+00:00
2026-04-22T20:37:13+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
টাঙ্গাইলে মাইকিং করে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, অর্ধশতাধিক বাড়ি ভাঙচুর
ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
প্রকাশ: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৩৭ পিএম   (ভিজিট : ২০৭)
অর্ধশতাধিক বাড়ি ভাঙচুর
X

অর্ধশতাধিক বাড়ি ভাঙচুর

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে দোকান বাকি নিয়ে তুচ্ছ বিরোধকে কেন্দ্র করে মাইকে ঘোষণা দিয়ে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অন্তত ৫০ থেকে ৬০ টি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে নলিনবাজার এলাকায় এরশাদের দোকানে গুলিপেচা গ্রামের টগর নামের এক ব্যক্তি বাকি নিতে গেলে দোকানদারের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। প্রায় এক ঘণ্টা পর গুলিপেচা গ্রামের কয়েকজন এসে দোকানদারকে মারধর করলে ঘটনাটি সংঘর্ষে রূপ নেয়।
‎পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অর্জুনা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও স্থানীয় স্কুলশিক্ষক নিয়ামত আলী মাস্টার এবং হেমনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম খান ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপরও হামলার অভিযোগ ওঠে। এতে এলাকাজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
‎গুরুতর আহত অবস্থায় নিয়ামত আলী মাস্টারকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। যেখানেই তিনি এখন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
‎এদিকে বুধবার (২২ এপ্রিল) সকাল ১১ টার দিকে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে লোকজন একত্র করা হয় ও উত্তেজিত জনতা গুলিপেচা গ্রামে হামলা চালায়। এসময় স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম পিন্টুর বাড়ি ছাড়া আশপাশের প্রায় অর্ধ-শতাধিক বাড়িঘরে ভাঙচুর চালানো হয়। বেশ কয়েকটি বাড়িতে লুটপাটের ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
‎গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিল্লুর রহমান বলেন প্রাথমিকভাবে ৫০ থেকে ৬০ টি বাড়িঘর ভাঙচুরের তথ্য পাওয়া গেছে। আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। লুটপাটের অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
‎গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনার পরপরই আমরা দুই পক্ষের স্থানীয় নেতৃবৃন্দকে নিয়ে বৈঠক করেছি। এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। গোপালপুর, ভূঞাপুর ও হেমনগর পুলিশসহ অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এলাকায় মোতায়েন রয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
‎সংঘর্ষে নলিনবাজার এলাকায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। আহতদের টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা যায়।
‎আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। এলাকায় পুনরায় যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে জন্য নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।






Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy