প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:১৫ পিএম (ভিজিট : ৩৭৭)

X
বোরো ফসলের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে
শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলায় এবার বোরো ফসলের ১৪হাজার ৬শ হেক্টর জমিতে সরকারি হিসাব মতে বোরো ফসলে আবাদ হয়েছে | ইতি মধ্যেই নিন্ম অঞ্চলে বোরো ফসলের ধানকাটা শুরু হয়েছে | উঁচু অঞ্চলে আধা পাকা ধানের দানায় বিস্তির্ণ মাঠে ফসলের সৌন্দর্য দেখা দিয়েছে |
সবুজঘেরা পাকাধানের মাঠ কৃষকের মনে দোলা দিচ্ছে | প্রাকৃতিক আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে কৃষকরা বোরো ফসলের ধান আনন্দ উল্লাস করে ঘরে তুলার স্বপ্ন দেখছেন | সম্প্রতি উপজেলার ২৬ ধানের মোড়কে নকল বীজ বাজার থেকে ক্রয় করে যে সমস্ত কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর তদন্ত কাজ শুরু করেছেন | উপজেলার ০.৩ পার্সেন্ট কৃষক এ বীজ বপন করেছেন এতে ধানের দানা আসে নাই | ফলে কৃষকের তীর মেরেছে বীজ বিক্রেতা ডিলারদের দিক |
তারা আরো জানান নতুন ধানের বাজার মুল্যর চেয়ে ধান উৎপাদনের খরচ বেশী ধানের বাজার পরিবর্তন না হলে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্থ হবে এবং লাভের আশায় পরিশ্রম বৃথা যাবে বলে জানান অনেক কৃষক | ডিলারগণ বলছেন সময়মতো বীজ বপন না করা ও পরিচর্যার অভাবে এই ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছেন কিছু কৃষক | অপরদিকে এই ধানের বীজ আরো যে সমস্ত কৃষক বপন করেছেন তাদের কোন সমস্য হয়নি তারা ধান কর্তন করছেন |
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার ফরহাদ হোসেন জানান উপজেলার বোরো ফসলের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে তা অর্জিত হয়ে আরো বেশী ফসলের আশা করা হচ্ছে | নকল বীজে যে পরিমান কৃষকের ক্ষতি সাধিত হয়েছে তাতে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কোন প্রভাব পড়বে না |
উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে এখন ধানকাটা পুরোদমে শুরু হয়নি | আবহাওয়া অনুকুলে ও ধানের বাজার ভালো থাকলে কৃষকরা লাভবান হবেন | নকল বীজের ব্যাপারে কৃষিসম্প্রাসারণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে তদন্ত চলছে বলে অবহিত করেন এই কর্মকর্তা |