অবৈধ পাথর ভাঙানোর মেশিনে মারাত্মক শব্দদূষণ; প্রকৃতি-পরিবেশের ক্ষতি

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

সারাবাংলা

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার জামুর্কী ইউনিয়নের আছিমতলা এলাকায় অনুমোদন ছাড়াই অবৈধভাবে চলছে পাথর ভাঙানোর কাজ। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ঘেষে প্রতিনিয়ত

2026-04-25T13:53:24+00:00
2026-04-25T13:53:24+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
অবৈধ পাথর ভাঙানোর মেশিনে মারাত্মক শব্দদূষণ; প্রকৃতি-পরিবেশের ক্ষতি
মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
প্রকাশ: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৫৩ পিএম   (ভিজিট : ৪৮৩)
অবৈধ পাথর ভাঙানোর মেশিনে মারাত্মক শব্দদূষণ; প্রকৃতি-পরিবেশের ক্ষতি
X

অবৈধ পাথর ভাঙানোর মেশিনে মারাত্মক শব্দদূষণ; প্রকৃতি-পরিবেশের ক্ষতি

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার জামুর্কী ইউনিয়নের আছিমতলা এলাকায় অনুমোদন ছাড়াই অবৈধভাবে চলছে পাথর ভাঙানোর কাজ। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ঘেষে প্রতিনিয়ত এসব পাথর ভাঙানোর কারণে মানুষের ঘরবাড়ি,স্থানীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সংলগ্ন হওয়ায় মারাত্মক শব্দদূষণের পাশাপাশি ক্ষতি হচ্ছে প্রকৃতি, পরিবেশ, একইসাথে হুমকিতে পড়েছে জনস্বাস্থ্যের।

জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবত আছিমতলা এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ঘেষে চলছে বিভিন্ন ধরণের পাথর ভাঙানোর কাজ। কোনো ধরণের নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই তারা এ ব্যবসা পরিচালনা করছেন। পাথর ভাঙানোর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদিও নেই তাদের কাছে। তবুও হরহামেশা দিন-রাতে চলছে পাথর ভাঙানোর কাজ।এতে একদিকে যেমন শব্দদূষণ হচ্ছে অপরদিকে ধুলাবালিতে নষ্ট হচ্ছে পরিবেশ,হুমকিতে পড়েছে জনস্বাস্থ্য।উক্তস্থানে শ্রমিকদেরও স্বাস্থ্য ঝুকি নিয়ে কাজ করতে দেখা গেছে।

ওই এলাকার স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করে বলেন,মেশিনের শব্দ আর ধুলাবালিতে আমাদের খুব কষ্ট হয়। দোকানগুলোতে ধুলাবালি এসে ভরে যায়। সড়ক দিয়ে যেতেও ধুলাবালির কারণে অসুবিধা হয়।আমরা চাই এটি কোনো উন্মুক্ত স্থানে নেওয়া হোক।

আল-মদিনা ওয়াশ প্ল্যান নামক প্রতিষ্ঠানটির স্বত্ত্বাধিকারী সুমন খান বলেন,আমরা দীর্ঘদিন যাবত এখানে পাথর ভাঙানোর কাজ করছি। এগুলো ভাঙানোর জন্য ট্রেড লাইসেন্স করা আছে।তবে অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদির প্রয়োজন আছে কি না তা তিনি জানেন না!

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো.জহিরুল ইসলাম তালুকদার বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। আমাদের লোক পাঠিয়ে খোঁজ নিয়ে অসঙ্গতি পাওয়া গেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার খান সালমান হাবীব বলেন, তিনি এ ব্যাপারে অবগত নন। খোঁজ নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।





Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy