সোমবার (২৭ এপ্রিল) আদালত তার জামিন স্থগিত করেন। বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাতে কল্পলোক আবাসিক মিডিয়া টাওয়ারের সামনে থেকে বাকলিয়া থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী এহতেশামুল হকের বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র ও চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। তিনি চট্টগ্রাম নার্সিং কলেজের শিক্ষিকা অঞ্জলী রানী দেবী হত্যা মামলারও আসামি ছিলেন। ২০১৫ সালের ১০ জানুয়ারি চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানার তেলিপট্টি এলাকায় নিজ বাসার সামনে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
এছাড়া ২০১৬ সালের ৫ জুন চট্টগ্রাম নগরের জিইসি মোড়ে ছেলেকে নিয়ে স্কুলে যাওয়ার সময় মাহমুদা খানম মিতুকে ছুরিকাঘাত ও গুলি করে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর সাবেক এসপি বাবুল আক্তার পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাত তিনজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। পরে মামলাটি চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখা থেকে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) কাছে হস্তান্তর করা হয়।
পরবর্তীতে ২০২১ সালের ১২ মে মিতুর বাবা বাদী হয়ে বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করে আটজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। সেখানে অভিযোগ করা হয়, পারিবারিক বিরোধ ও বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের জের ধরেই মিতুকে হত্যা করা হয়।