মেঘনা তীরে ভয়ংকর রাসেল ভাইপার: কামড় খেয়েও সাপ হাতে ফিরলেন যুবক!

বুলেটিন ডেস্ক

সারাবাংলা

আবারও ভয়ংকর বিষধর রাসেল ভাইপার (চন্দ্রবোড়া) সাপের আতঙ্ক চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মেঘনা নদী তীরবর্তী এলাকায় দেখা দিয়েছে।

2026-04-28T14:28:20+00:00
2026-04-28T14:28:20+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
মেঘনা তীরে ভয়ংকর রাসেল ভাইপার: কামড় খেয়েও সাপ হাতে ফিরলেন যুবক!
বুলেটিন ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ২:২৮ পিএম   (ভিজিট : ৫৫)
রাসেলভাইপারের কমড় খেয়ে সাপটিকে ধরে পলিথিন ব্যাগে ভরে বাড়িতে নিয়ে আসেন মো. সোহেল।
X

রাসেলভাইপারের কমড় খেয়ে সাপটিকে ধরে পলিথিন ব্যাগে ভরে বাড়িতে নিয়ে আসেন মো. সোহেল।

আবারও ভয়ংকর বিষধর রাসেল ভাইপার (চন্দ্রবোড়া) সাপের আতঙ্ক চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মেঘনা নদী তীরবর্তী এলাকায় দেখা দিয়েছে। এবার সাপের কামড়ে আহত হওয়ার পরও সাপটিকে ধরে পলিথিন ব্যাগে ভরে বাড়িতে নিয়ে আসেন এক যুবক। যা পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) উপজেলার এখলাসপুর ইউনিয়নের এখলাসপুর আবাসন প্রকল্প এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে এ ঘটনা ঘটে।

সাপের কামড়ে আহত যুবক সোহেল প্রধান (৩১) এখলাসপুর গ্রামের সেলিম প্রধানের ছেলে। 

তিনি জানান, সকালে মেঘনা নদীর পাড়ে নতুন বাড়িতে যাওয়ার সময় একটি কারেন্ট জালে বড় আকৃতির একটি সাপ আটকা পড়ে থাকতে দেখেন। সাপটি ছটফট করছিল। একপর্যায়ে তিনি সাপটিকে জাল থেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করলে সেটি তার হাতে কামড় দেয়।

তাৎক্ষণিকভাবে তিনি সাপটিকে ধরে পলিথিন ব্যাগে ভরে বাড়িতে নিয়ে আসেন এবং পরে প্লাস্টিকের একটি বয়ামে সংরক্ষণ করেন। এরপর দ্রুত চাঁদপুর সদর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে গিয়ে অ্যান্টিভেনম নেন। চিকিৎসা শেষে তিনি বাড়ি ফিরে আসেন। পরে নিশ্চিত হওয়া যায়, সাপটি বিষধর রাসেল ভাইপার।

স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত কয়েক বছর ধরে মেঘনা নদীর তীর ও পশ্চিমাঞ্চলের চর এলাকায়- বোরচর, চরকাশিম, বাহেরচর, বাহাদুরপুর, চর উমেদ ও এখলাসপুরে- বিষধর সাপের উপদ্রব আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। গত বছরও এখানে কয়েকটি রাসেল ভাইপার সাপ মারা হয়েছিল।

তাদের অভিযোগ, অনেক সময় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাপে কাটার অ্যান্টিভেনম না থাকায় রোগীদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। তারা জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে হাসপাতালে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, বর্ষা মৌসুম ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে নদী ও চরাঞ্চলে রাসেল ভাইপারের উপদ্রব আরও বাড়তে পারে। তাই এখনই সচেতনতা বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্যসেবার প্রস্তুতি জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে এখলাসপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম মুন্না ঢালী বলেন, সামনে বর্ষা মৌসুম হওয়ায় কৃষক ও জেলেদের আরও সতর্ক থাকতে হবে। সাপে কামড়ালে কোনো ধরনের ঝাড়ফুঁক না করে দ্রুত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেতে হবে। প্রয়োজনে যোগাযোগ করলে হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. একেএম মাহবুবুর রহমান বলেন, হাসপাতালে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম মজুত রয়েছে। একজন সাপে কাটা রোগীকে প্রথম ধাপে ১০ ডোজ অ্যান্টিভেনম দেওয়া হয়, প্রয়োজনে আরও দেওয়া হয়। বর্তমানে হাসপাতালে প্রায় ২০০ ডোজ অ্যান্টিভেনম রয়েছে।






Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy