প্রকাশ: রোববার, ৩ মে, ২০২৬, ১২:৩৭ পিএম (ভিজিট : ১৫০)

X
ফাইল ছবি
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগের ঘটনায় পুলিশ এখনো কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। ধর্ষণের ঘটনায় সর্বমহলে তোলপাড় চলছে।
তাছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম তথা ফেসবুকে অভিযুক্তদের ফটোসহ ঘটনাটি ভাইরাল হচ্ছে। ঘটনায় চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর শনিবার (২ মে) সকালে আনোয়ারা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩)-এর ৯(৩) ধারায় মামলাটি রুজু করা হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ১০টা থেকে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) ভোর ৫টার মধ্যে আনোয়ারা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের হাড়িয়াপাড়া এলাকায় দুই দফায় এ নৃশংস ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী তরুণী ওই এলাকায় তার খালার বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, রাত আনুমানিক ১০টার দিকে খালাতো বোনের বাসায় যাওয়ার পথে স্থানীয় একটি মুদি দোকানের সামনে পৌঁছালে প্রথম অভিযুক্ত আবু তাহের তাকে জোরপূর্বক দোকানের ভেতরে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়।
পরবর্তীতে বিষয়টি অন্য অভিযুক্তরা জানতে পেরে ভুক্তভোগীকে তাদের কাছে নিয়ে যায়। পরে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে পাশের একটি বিলে নিয়ে গিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরদিন সকালে ভুক্তভোগী নিজ বাড়িতে ফিরে ঘটনাটি তার মাকে জানান। পরে তার মা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করে। মামলার পর থেকে পুলিশ অভিযুক্তদেরকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে এখনো গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়নি পুলিশ। ফলে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিচ্ছে।
মামলায় অভিযুক্ত চারজন হলো রায়পুর এলাকার আবু তাহের (৪২), পূর্ব গহিরার রবিউল হোসেন ওরফে চুমকিয়া (২৪), মো. ফারুক (২৩) এবং আনোয়ার হোসাইন (২২)।
আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানান, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে রয়েছে। আশা করছি পুলিশ শীঘ্রই তাদেরকে গ্রেপ্তারে সক্ষম হবে।