প্রকাশ: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৯:৫২ পিএম (ভিজিট : ১০৯)

X
সাতক্ষীরার আমন বীজ
গুণগত মান, উজ্জ্বল রঙ এবং উচ্চ ফলনক্ষমতার কারণে দেশজুড়ে বাড়ছে সাতক্ষীরায় উৎপাদিত আমন ধানের বীজের চাহিদা। চলতি মৌসুমে জেলা বিএডিসি অফিসের তত্ত্বাবধানে উৎপাদিত হয়েছে ৯৫২ মেট্রিক টন আমন বীজ, যা দেশের ২২টি অঞ্চলে সরবরাহের প্রস্তুতি চলছে। গত বছরের তুলনায় এবার উৎপাদনও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
সাতক্ষীরা বিএডিসি সূত্রে জানা গেছে, উৎপাদিত বীজ আগামী এক মাসের মধ্যে দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হবে। বিশেষ করে বীজ বিপণন বিভাগের আওতায় দেশের ২২টি অঞ্চলে এই বীজ সরবরাহ করা হবে। জেলার উৎপাদিত বীজের গুণগত মান ভালো হওয়ায় দেশের প্রায় সব জেলাতেই এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
সাতক্ষীরা বিএডিসির উপ-পরিচালক রমিজুর রহমান বলেন,“সাতক্ষীরা সদর, কলারোয়া, তালা ও ডুমুরিয়া অঞ্চল থেকে চুক্তিবদ্ধ কৃষকদের মাধ্যমে আমরা বীজ সংগ্রহ করি। আমাদের সাতটি ব্লকে প্রায় ৩০০ জন প্রশিক্ষিত চাষি রয়েছেন। তাদের ভিত্তিমানসম্পন্ন উৎকৃষ্ট বীজ সরবরাহ থেকে শুরু করে চারা রোপণ, মাঠ তদারকি ও ফসল সংগ্রহ পর্যন্ত সব পর্যায়ে নিয়মিত নজরদারি করা হয়। পরে মান যাচাই শেষে বীজ সংগ্রহ করা হয়।”
তিনি আরও বলেন, “সাতক্ষীরার বীজের গুণগত মান ও উজ্জ্বল রঙের কারণে দেশের বিভিন্ন জেলায় এর চাহিদা অনেক বেশি। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমন্বয়ে চেইন অব কমান্ড মেনে উৎপাদন ও সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।”
এছাড়া তিনি জানান, দপ্তরে যোগদানের পর কেন্দ্রের যন্ত্রাংশ, অবকাঠামো ও প্রশিক্ষণ কক্ষের সংস্কার এবং সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করা হয়েছে। বর্তমানে কেন্দ্রের সব স্থাপনা ও যন্ত্রপাতি সচল রেখে বীজ সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
উল্লেখ্য, সাতক্ষীরা বিএডিসি অফিস মূলত বীজ উৎপাদন, সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করে। এখানে সাধারণ খুচরা বীজ বিক্রির সুযোগ নেই; শুধুমাত্র চুক্তিবদ্ধ কৃষকেরাই প্রয়োজনীয় সেবা ও কারিগরি সহায়তা পেয়ে থাকেন।