আজহারীর ‘ডিপফেক’ ভিডিও দিয়ে যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রি, অতঃপর...

নিজস্ব প্রতিবেদক

আইন-আদালত

মিজানুর রহমান আজহারীর ছবি ও কণ্ঠ ব্যবহার করে ‘ডিপফেক’ ভিডিও তৈরি এবং যৌন উত্তেজক পণ্য বিক্রির মাধ্যমে প্রতারণার

2026-05-05T21:34:03+00:00
2026-05-05T21:34:03+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
আজহারীর ‘ডিপফেক’ ভিডিও দিয়ে যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রি, অতঃপর...
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৯:৩৪ পিএম   (ভিজিট : ৮৫)
আজহারীর ‘ডিপফেক’ ভিডিও দিয়ে যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রি
X

আজহারীর ‘ডিপফেক’ ভিডিও দিয়ে যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রি

মিজানুর রহমান আজহারীর ছবি ও কণ্ঠ ব্যবহার করে ‘ডিপফেক’ ভিডিও তৈরি এবং যৌন উত্তেজক পণ্য বিক্রির মাধ্যমে প্রতারণার অভিযোগে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের মামলায় গ্রেপ্তার ২ যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার (৫ মে) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জুনাইদের আদালত মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের শুনানি নিয়ে এ আদেশ দেন।

রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন, মো. সারাফাত হোসেন (২৪) ও মো. শাফায়েত হোসেন শুভ (২১)।

এর আগে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্টন থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সামিম হোসেন এ মামলায় গ্রেপ্তার দশ আসামির দশ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। আসামিদের পক্ষে অ্যাডভোকেট মোসলেহ উদ্দিন জসীমসহ একাধিক আইনজীবী রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে শুনানি করেন। শুনানি শেষে আদালত ২ জনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। অন্য আসামিদের রিমান্ড ও জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন- শাহাদাত তৌফিক (২১), মো. ইমাম হোসেন বিজয় (২১), মো. রফিকুল হাসান (২১), মিনহাজুর রহমান শাহেদ (১৯), তৌকি তাজওয়ার ইলহাম (২১), অমিদ হাসান (২১), মো. আব্দুল্লাহ ফাহিম (২১) এবং মো. ইমরান (২৪)। তারা দেশের বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা হলেও চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকার একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে এই চক্র পরিচালনা করতেন।

​এর আগে, গত ২৩ এপ্রিল বিলাল হোসেন নামে এক ব্যক্তি বাদি হয়ে রাজধানীর পল্টন মডেল থানায় সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলাটি দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর ডিএমপির পল্টন মডেল থানা ও সিএমপির বায়েজিদ বোস্তামী থানা পুলিশ চট্টগ্রামের শেরশাহ কলোনি এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে ২৫ এপ্রিল আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। পরে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এদিন শুনানিকালে কারাগার থেকে তাদেরকে আদালতে আনা হয়।

অভিযোগ থেকে জানা যায়, গ্রেপ্তার হওয়া চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে ডিজিটাল জালিয়াতি চালিয়ে আসছিল। তারা জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা শায়খ ড. মিজানুর রহমান আজহারীর ছবি ও কণ্ঠ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে সংগ্রহ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স’ (AI) এবং ‘ডিপফেক’ প্রযুক্তির সাহায্যে তার চেহারা ও কণ্ঠ হুবহু নকল করত। পরবর্তীতে সেই ভুয়া ভিডিওতে ড. আজহারীর কণ্ঠ ব্যবহার করে ‘ইউরোসিন’ নামক একটি যৌন উত্তেজক ওষুধের প্রচারণা চালানো হতো।​

বাদী এজাহারে উল্লেখ করেন, সাধারণ মানুষ আজহারীর কথায় বিশ্বাস করে এসব পণ্যকে সত্য মনে করে অর্ডার দিতেন। আসামিরা ‘আজহারী শপ’, ‘ডক্টর সেবা’, ‘হালাল শপ’সহ প্রায় ২৪টিরও বেশি ভুয়া ফেসবুক পেজ এবং ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এসব ভিডিও বুস্ট করে প্রচারণা চালাত। 





Loading...
Loading...


আইন-আদালত এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy