প্রকাশ: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৪:০৩ পিএম (ভিজিট : ৪০)

X
দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে বিআরটিএ’র ৩ কোটি ১২ লক্ষ টাকার চেক বিতরণ
সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারসমূহকে আর্থিক সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ট্রাস্টি বোর্ডের উদ্যোগে বিআরটিএ নতুনপাড়াস্থ কার্যালয়ে চেক বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলায় সংঘটিত সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক প্রদান করা হয়।
এ সময় নিহত ৫৪টি পরিবারের মধ্যে ২কোটি ৭০ লক্ষ টাকা এবং আহত ১৮টি পরিবারের মধ্যে ৪২লক্ষ টাকা বিতরণ করা হয়। সর্বমোট ৭২টি চেকের মাধ্যমে ৩কোটি ১২ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জনাব মোঃ মাসুদ আলম, পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং), বিআরটিএ, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোরশেদুল আলম কাদেরী, সিনিয়র সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি; অধ্যাপক জনাব কফিল উদ্দিন আহমেদ, সভাপতি, চট্টগ্রাম জেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি; জনাব মোঃ তৌহিদুল ইসলাম, উপপরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং), বিআরটিএ চট্ট মেট্রো-১ সার্কেল; জনাব অলি আহাম্মদ, সাধারণ সম্পাদক, চট্টগ্রাম জেলা সড়ক পরিবহন বাস ও মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়ন; জনাব কে. এম. মাহাবুব কবির, উপপরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং), চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়; এবং জনাব উথোয়াইনু চৌধুরী, সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং), বিআরটিএ, চট্টগ্রাম জেলা সার্কেল।
বক্তাগণ তাঁদের বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারসমূহের পাশে দাঁড়ানো রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ মানবিক ও সামাজিক দায়িত্ব। এই ধরনের দুর্ঘটনায় অনেক পরিবার হঠাৎ করেই উপার্জনক্ষম সদস্যকে হারিয়ে আর্থিক ও মানসিক সংকটে পতিত হয়, যা তাঁদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে। এই প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রীয় সহায়তা কেবল আর্থিক অনুদান হিসেবে সীমাবদ্ধ নয় বরং এটি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা ও দায়বদ্ধতার একটি প্রতিফলন।
বক্তারা আরো বলেন, বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ডের মাধ্যমে প্রদত্ত এ আর্থিক সহায়তা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তাৎক্ষণিক আর্থিক সংকট লাঘবে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। এর ফলে তাঁরা জরুরি প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম হবে এবং নতুন করে জীবনযাত্রা পুনর্গঠনের সাহস ও প্রেরণা পাবে। পাশাপাশি, এই ধরনের সহায়তা তাঁদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করবে এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। একই সঙ্গে সড়ক নিরাপত্তা জোরদার এবং দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান বক্তারা।