হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ

মোঃ নিয়ামুল ইসলাম, মুকসুদপুর

সারাবাংলা

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে চলমান বিরোধের মধ্যে হাইকোর্টের স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ

2026-05-09T20:39:42+00:00
2026-05-09T20:39:42+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ
মোঃ নিয়ামুল ইসলাম, মুকসুদপুর
প্রকাশ: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ৮:৩৯ পিএম   (ভিজিট : ৪৭)
সংবাদ সম্মেলন
X

সংবাদ সম্মেলন

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে চলমান বিরোধের মধ্যে হাইকোর্টের স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে নির্মাণকাজ বন্ধ এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার।

শুক্রবার (৮ মে) দুপুরে মুকসুদপুর উপজেলা সদরের কমলাপুর ব্রিজ এলাকায় নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য তুলে ধরেন ভুক্তভোগী নিতাই প্রসাদ দাস।

লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, ১৯৮০ সালের ২৬ জানুয়ারি রেজিস্ট্রিকৃত ছাপা কবলা দলিলের মাধ্যমে দুলাল দাসের কাছ থেকে মুকসুদপুর পৌরসভার ৬০ নম্বর কমলাপুর মৌজার ৯১৫ নম্বর খতিয়ানের ২১৫৬ দাগের ৫৯ শতাংশ জমি ক্রয় করা হয়। পরবর্তীতে ২০১২ সালের ২৫ জুন তার মা ওই জমি তার নামে লিখে দেন। তবে রেকর্ড সংশোধনের সময় ভুলক্রমে বড় ভাই মহেন্দ্র প্রসাদ দাস জমিটি নিজের নামে রেকর্ড করিয়ে নেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

নিতাই প্রসাদ দাস আরও বলেন, বড় ভাই মহেন্দ্র প্রসাদ দাসের মৃত্যুর পর তার ছেলে সুকান্ত দাস ওয়ারিশ সূত্রে জমির মালিকানা দাবি করে ভগ্নিপতি কৃষ্ণ গোপাল বসুকে অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি প্রদান করেন। এর ভিত্তিতে কৃষ্ণ গোপাল বসু জমির একটি অংশ অন্যত্র বিক্রি করে দেন।

তিনি দাবি করেন, এ সংক্রান্ত বিরোধ আদালতে গড়ালে হাইকোর্ট গত ২ মার্চ ২০২৬ সালে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। কিন্তু আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষা করে সংশ্লিষ্টরা সেখানে পাকা ভবন নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে আদালতের আদেশ অমান্যের ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে নিতাই প্রসাদ দাসের স্ত্রী গৌরী রানী দাসও বক্তব্য দেন। তিনি জানান, ২০২৬ সালের ১৩ এপ্রিল মুকসুদপুর রেজিস্ট্রি অফিসে একই মৌজার ওই জমি থেকে পৈতৃক ও মাতৃসূত্রে প্রাপ্ত ১০ শতাংশ জমি তাকে দান করা হয়। তার অভিযোগ, কৃষ্ণ গোপাল বসু দিঘড়া গ্রামের জগদীশ চন্দ্র মৃধা ও অলোকা রানী বিশ্বাসের কাছে জমি বিক্রি করার পর তারা তার ভোগদখলকৃত জমির ভেতরে প্রবেশ করে ভবন নির্মাণ শুরু করেছেন।

এ ঘটনায় তিনি নিজের জমি ও স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে উল্লেখ করে দ্রুত নির্মাণকাজ বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় ও জাতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।





Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy