প্রেস রিলিজ সূত্রে জানা যায়, পূর্ব পরিচয়ের সুবাদে গাঙভাঙ্গা গ্রামের সুমা আক্তারের সাথে ফয়সাল ভূইয়ার ভালো সম্পর্ক ছিল। সেই সুবাদে সুমা আক্তার ফয়সালের নিকট থেকে বিভিন্ন সময়ে প্রায় ২ লক্ষ টাকা ধার নেয়। তাদের মধ্যে মনোমালিন্য হওয়ায় ফয়সাল পাওনা টাকা ফেরাত চাইলে সুমা আক্তার গত ৪ এপ্রিল ফয়সালকে তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে সুমা আক্তার ও তার লোকজন মিলে ফয়সালকে কীটনাশক বিষ খাইয়ে দেয় এবং পরে বেদম মারধর করে রক্তাক্ত জখম করে। ফয়সালের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে বিবাদীরা দৌঁড়ে পালিয়ে যায়।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। গত ১১ এপ্রিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফয়সাল ভূইয়া মৃত্যুবরণ করেন।
এ ঘটনায় মৃতের পিতা জহিরুল ইসলাম বাদী হয়ে গত ১৩ এপ্রিল আখাউড়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরই প্রেক্ষিতে র্যাব-৯ গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯ এর সিপিসি-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি আভিযানিক দল শনিবার রাতে কিশোরগঞ্জের টেকেরহাটি এলাকা থেকে তিন আসামীকে আটক করে। আটককৃতরেকে রোববার সকালে আখাউড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
আখাউড়া থানার ওসি (তদন্ত) তানভীর আহাম্মদ বলেন, ফয়সাল ভুঁইয়া মুন্না হত্যা মামলায় আটক আসামীদেরকে রোববার দুপুরে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।