গাংনীতে গরুর খামার থেকে মহিষের খামার, স্বল্প পুুঁজিতে বেশি লাভ

গাংনী (মেহেরপুর) প্রতিনিধি

ফিচার

কোরবানীর বাজারকে সামনে রেখে প্রচলিত গরুর খামার থেকে ব্যতিক্রমী মহিষের খামার করে প্রথম বছরেই বাজিমাত কৃষক আব্দুল্লাহর। খামারের

2026-05-13T13:55:50+00:00
2026-05-13T13:55:50+00:00
শনিবার ৮ আগস্ট ২০২৬ ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার ৮ আগস্ট ২০২৬
   
গাংনীতে গরুর খামার থেকে মহিষের খামার, স্বল্প পুুঁজিতে বেশি লাভ
গাংনী (মেহেরপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ১:৫৫ পিএম   (ভিজিট : ১৪৭)
গাংনীতে গরুর খামার থেকে মহিষের খামার, স্বল্প পুুঁজিতে বেশি লাভ
X

গাংনীতে গরুর খামার থেকে মহিষের খামার, স্বল্প পুুঁজিতে বেশি লাভ

কোরবানীর বাজারকে সামনে রেখে প্রচলিত গরুর খামার থেকে ব্যতিক্রমী মহিষের খামার করে প্রথম বছরেই বাজিমাত কৃষক আব্দুল্লাহর। খামারের দুটি মহিষ দিয়ে যাত্রা শুরু করলেও এখন খামারে রয়েছে ১২ টি মহিষ। দুটি মহিষ ২০ লাখ টাকায় বিক্রির আশা করছেন এই খামারী। মহিষ খামারের সফলতা নতুন আশা দেখাচ্ছে গরু খামারীদের। প্রাণি সম্পদ বিভাগ বলছে খামারীকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বানিয়াপুকুর গ্রামের কৃষক আব্দুল্লাহ দুই বছর আগে মাত্র ২টি মহিষ নিয়ে খামারের যাত্রা শুরু হয়। গরু পালনের অব্যহত লোকসান তাকে মহিষ খামারের দিকে টেনে নিয়ে যায়। গরু পালনের মত একই পদ্ধতিতে মহিষ পালন সম্ভব হওয়ায় বাড়তি ঝামেলা পোহাতে হয়নি| মহিষের রোগবালাই কম এবং মাংসের চাহিদা বেশি| তাই বাজারে মহিষের কদরও অনেকে বেশি।

খামারের মালিক আব্দুল্লাহ জানান, মহিষের প্রধান খাদ্য হিসেবে খড়, কাঁচা ঘাস এবং দানদার খাবার দেওয়া হয় নির্দিষ্ট পরিমাণে। এর সাথে নিয়মিত গোসল আর প্রয়োজনীয় পরিচর্যায় দানব রুপে বেড়ে চলেছে মহিষগুলো। খামারের সবচেয়ে বড় দুটি মহিষের একটির মাংসের ওজন ধরা হচ্ছে ১৭ মণ। এক জোড়ার দাম উঠেছে ১৮ লাখ টাকা। মহিষ দুটি ৮ মাস আগে সাড়ে ৫ লাখে কিনেছিলেন তিনি। পরম পরিচর্যায় জোড়া মহিষ এলাকার সেরা মহিষের তকমা নিয়ে কোরবানির বাজারে সাড়া ফেলেছে। প্রতিদিন এই খামারে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসছেন ব্যাপারীরা। তাছাড়াও অনেক পশু পালনকারীও আসছেন মহিষের খামার করার পরামর্শ নিতে।

গ্রামের কামরুল ইসলাম জানান, মেহেরপুর জেলায় ব্যাপকহারে গরু-ছাগল পালন হলেও খামার ভিত্তিক মহিষ পালন হয়না। খামারী আব্দুল্লাহর এই ব্যতিক্রমী সফল উদ্যোগ আশা দেখাচ্ছে স্থানীয়দের। তিনি আরো জানান, অনৈকেই আছেন যারা গরুর মাংস খান না। তাদের কাছে মহিষের মাংস প্রিয়। আবার বাজারে গরুর মাংসের চেয়ে মহিষের মাংসের দাম বেশি| তাই তিনি এসেছেন মহিষের খামার করার পরামর্শ নিতে।

রাইপুরের আলামিন জানালেন, কোরবানির বাজারে বিক্রির জন্য একটি গরু মোটাতাজা করতে হয় অন্তত দুই বছর ধরে। যার বিপরিতে ৬/৭ মাস পরিচর্যা করলেই একটি মহিষ মোটাতাজা করে বিক্রি করা যায়। এতে খামারীদের খরচ ও সময় সাশ্রয় হয়| তাই গরু পালনের পাশাপাশি মহিষ পালন করার চিন্তা করছেন তিনি।

মেহেরপুর জেলা প্রাণি সম্পদ অফিসার ডাঃ তোফাজ্জল হোসেন জানান, প্রয়োজনীয় ব্যস্থাপনা সাপেক্ষে মহিষ পালন করলে খামারীরা যেমনি লাভবান হবেন তেমনি মাংসের চাহিদা পুরণে এক নতুন মাত্রা যুক্ত হবে বলে মনে করছেন প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা।






Loading...
Loading...


ফিচার এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy