প্রকাশ: রোববার, ১৭ মে, ২০২৬, ১২:৫৯ পিএম (ভিজিট : ১৪৪)

X
সংগৃহীত ছবি
আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে পশুর হাটের ভিড় ও বিড়ম্বনা এড়াতে অনেকেই এখন ঝুঁকছেন গ্রামীণ খামারের দিকে। কর্মব্যস্ত মানুষ ও চাকরিজীবীরা সরাসরি খামার বা কৃষকের বাড়ি থেকে স্বাচ্ছন্দ্যে কোরবানির গরু-ছাগল কিনছেন। তবে এর পাশাপাশি পাবনার আটঘরিয়াসহ আশপাশের পশুর হাটগুলোও ধীরে ধীরে জমতে শুরু করেছে।
আটঘরিয়া উপজেলার সবচেয়ে বড় পশুর হাট আটঘরিয়া বাজার এবং একদন্ত হাটসহ পার্শ্ববর্তী টেবুনিয়া হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের আনাগোনা বাড়ছে। ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে হাটের ইজারাদাররা মাইকিং করে নানা সুযোগ-সুবিধার ঘোষণা দিচ্ছেন। এর মধ্যে রয়েছে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, দূর-দূরান্তের বেপারিদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা এবং হাসিল (খাজনা) কমানোর আশ্বাস।
আফজাল হোসেন নামে এক চাকরিজীবী জানান, "হাটে গিয়ে পশু কেনা বেশ ঝামেলার। তাই দুর্ভোগ এড়াতে সরাসরি গ্রামের খামার থেকেই কোরবানি পশু কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।"
পশুর দাম নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে ব্যবসায়ী ও খামারিদের মধ্যে। গরুর বেপারি আব্দুল গণি জানান, এবার সীমান্ত দিয়ে গরু আসা বন্ধ থাকায় দেশি গরুর ভালো দাম পাওয়ার আশা ছিল। তবে চোরাই পথে গরু ঢোকার আশঙ্কা এখনো কাটেনি। এমনটা হলে দেশি গরুর দাম পড়ে যেতে পারে।
এদিকে ক্ষুদ্র খামারি হাবিব জানান, তার তিনটি ষাঁড়ের মধ্যে একটি ভালো দামে বিক্রি হয়েছে, বাকি দুটির দামাদামি চলছে। তবে আরেক খামারি আবুল হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "পশু খাদ্যের দাম অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ায় এবার গরু লালন-পালন করে খুব বেশি লাভ করা যাচ্ছে না।"
হাট ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে বড় গরুর চেয়ে মাঝারি ও ছোট সাইজের গরুর চাহিদা ও বিক্রি সবচেয়ে বেশি।