প্রকাশ: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ৩:৪৭ পিএম (ভিজিট : ৬১)

X
ফাইল ছবি
নেত্রকোনার দুর্গাপুর থানার সাব-ইন্সপেক্টর নুর ইসলাম বাদী হয়ে দায়ের করা চাঁদাবাজি মামলার তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৯ মে) রাতে ঢাকার উত্তরা দিয়াবাড়ী এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. শহীদুল্লাহ।
মামলার সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মে সোমবার রাতে পৌর শহরের তেরীবাজার এলাকায় পুলিশের নিয়মিত টহল চলাকালে খবর পাওয়া যায়, পৌরশহরের উকিলপাড়া এলাকার ভাই ভাই অ্যান্ড জনতা হোটেলে কয়েকজন ব্যক্তি উশৃঙ্খল আচরণ করে হোটেল বন্ধের হুমকি দিচ্ছে। পরে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে চাঁদাবাজরা পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় হোটেল মালিক খোকন মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি জানান, আসামিরা পরিকল্পিতভাবে দলবদ্ধ হয়ে বিভিন্ন সময়ে হোটেলে এসে প্রায় দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। এছাড়া প্রতিদিন খাবার খেয়ে বিল পরিশোধ না করে হোটেল মালিককে খুন-জখমের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে চলে যেত।
পরবর্তীতে এ ঘটনায় সাব-ইন্সপেক্টর নুর ইসলাম বাদী হয়ে ১. মেহেদী হাসান ওরফে সাহস (৩০), পিতা- মঞ্জুরুল হক, ২. ইমরান ইসলাম ওরফে ইমন (২২), পিতা- ইউছুফ হাওলাদার, ৩. মো. জুয়েল (৩৪), পিতা- ছোট আবু, ৪. রাসেল (৩০), পিতা- হাসু মিয়া, ৫. নাইম (৩০), পিতা- অজ্ঞাত, ৬. মিলন (৩৮), পিতা- মৃত আব্দুল মজিদ, ৭. মেহেদী (২৮), পিতা- অজ্ঞাত, ৮. রিসভী (২৭), পিতা- অজ্ঞাতসহ আরও ৭/৮ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলা হওয়ার পর আসামিরা এলাকা থেকে গা ঢাকা দেয়।
পরবর্তীতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মঙ্গলবার রাতে ঢাকার উত্তরা দিয়াবাড়ী এলাকা থেকে আসামি মেহেদী হাসান ওরফে সাহস, রাসেল মিয়া ও মেহেদীকে আটক করে পুলিশ।
এ বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. শহীদুল্লাহ বলেন, “তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মঙ্গলবার রাতে ঢাকার উত্তরা দিয়াবাড়ী এলাকা থেকে চাঁদাবাজি মামলার তিন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আইনি কার্যক্রম শেষে আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।”