প্রকাশ: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ১২:১৮ পিএম (ভিজিট : ২৪)

X
দুপচাঁচিয়ায় জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট, দেশী মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি
পবিত্র ঈদুল আযহার যতই দিন ঘনিয়ে আসছে, ততই জমজমাট হয়ে উঠছে দেশের কোরবানির পশুর হাটগুলো। এরই ধারাবাহিকতায় বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার বিভিন্ন হাটে পুরোদমে কোরবানির পশু বেচাকেনা জমে উঠেছে। মূলত বড় গরুর চেয়ে ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি দেখা যাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২১মে) বগুড়ার অন্যতম বৃহৎ পশুর হাট দুপচাঁচিয়া পৌর এলাকায় অবস্থিত ধাপসুলতানগঞ্জ হাট ঘুরে দেখা গেছে, হাটে পর্যাপ্ত দেশী গরুর সরবরাহ রয়েছে। তবে ক্রেতারা দাম যাচাই বাছাই করে পছন্দের কোরবানির পশু কিনছেন। বিক্রেতারা বলছেন, গো খাদ্যের দাম বাড়ার কারণে এ বছর প্রতিটি গরুর পেছনে লালন পালন খরচ বেড়েছে। অন্যদিকে ক্রেতাদের অভিযোগ গত বছরের তুলনায় পশুর দাম কিছুটা বেশি চাওয়া হচ্ছে। তবে ঈদের আর কয়েকদিন বাকি থাকায় দাম আরও স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছেন অনেকে।
ধাপসুলতানগঞ্জ হাটে গরু বিক্রি করতে আসা উপজেলার দুবড়া গ্রামের নূর মোহাম্মাদ জানান, তিনি মাঝারি ধরনের দু’টি গরু বিক্রি করতে এনেছিলেন। এর একটি ৬৫হাজার অন্যটি ৫৫হাজার টাকা দামে বিক্রি করেছেন। কাংখিত দামে গরু বিক্রি করতে পারায় তিনি খুশি।
কথা হয় ক্রেতা নজরুল ইসলামের সাথে তিনি বলেন, তিনদিন আগে উপজেলার তালোড়ায় পশুর হাটে ৮৫হাজার টাকা দিয়ে একটি ষাঁড় গরু কিনেছেন। দাম যাই হোক পছন্দের গরুটি কিনতে পারায় তিনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন।
এদিকে পশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রতি হাটে প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তরের মেডিকেল টিম কাজ করতে দেখা গেছে। তবে ধাপসুলতানগঞ্জ হাটে পশু কেনা বেচায় ছাপ বা টোল বেশি নেয়ার অভিযোগ করেছেন অনেক ক্রেতা। সবমিলিয়ে বেশিরভাগম ক্রেতার অভিমত দেশী ছোট ও মাঝারি গরু এবার পশুর হাটগুলোতে যেহারে আমদানি হচ্ছে, তেমনি বেচা কেনাও হচ্ছে প্রচুর। তাই এ ধরনের পশুর দাম একটু বেশিই হাকছেন বিক্রেতারা।
উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ জাফরিন রহমান বলেন, পশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষটি মাথায় রেখে কোরবানির পশুর হাটে মেডিকেল টিম কাজ করছে। হাটে কোনো অবস্থাতেই যেন রোগাক্রান্ত পশু কেউ কেনাবেচা করতে না পারে তা সুচারুরূপে দেখভাল করা হচ্ছে।