চীনের পারমাণবিক প্রতিরোধ ঠেকানো যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে অসম্ভব: রয়টার্স

অনলাইন ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

চীনের প্রত্যন্ত মরুভূমিতে গড়ে উঠছে বিশাল এক সামরিক কমপ্লেক্স, যা নিয়ে নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের ধারণা– এটি এমনভাবে নির্মাণ করা হচ্ছে যাতে যুক্তরাষ্ট্র যদি চীনের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারের ওপর প্রথম হামলা চালায়, তবুও যেন বেইজিংয়ের পাল্টা পারমাণবিক আঘাত হানার সক্ষমতা ধ্বংস করা না যায়।

2026-05-31T09:59:27+00:00
2026-05-31T09:59:27+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
চীনের পারমাণবিক প্রতিরোধ ঠেকানো যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে অসম্ভব: রয়টার্স
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: রোববার, ৩১ মে, ২০২৬, ৯:৫৯ এএম   (ভিজিট : ৬৭)
সংগৃহীত ছবি
X

সংগৃহীত ছবি

চীনের প্রত্যন্ত মরুভূমিতে গড়ে উঠছে বিশাল এক সামরিক কমপ্লেক্স, যা নিয়ে নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের ধারণা– এটি এমনভাবে নির্মাণ করা হচ্ছে যাতে যুক্তরাষ্ট্র যদি চীনের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারের ওপর প্রথম হামলা চালায়, তবুও যেন বেইজিংয়ের পাল্টা পারমাণবিক আঘাত হানার সক্ষমতা ধ্বংস করা না যায়।

চীনের পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র ইতোমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো শহরে আঘাত হানতে সক্ষম। এবার রয়টার্সের পর্যালোচনা করা স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, চীন তার দীর্ঘ পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষিত পারমাণবিক সাইলোগুলোর কাছাকাছি এলাকায় বিস্তৃত উৎক্ষেপণ প্যাড, বাঙ্কার এবং যোগাযোগ কেন্দ্রের একটি নেটওয়ার্ক নির্মাণ করছে।

স্যাটেলাইট ছবিগুলোতে ৮০টিরও বেশি প্যাড দেখা গেছে, যা চীনের সম্প্রসারিত মোবাইল ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণযান এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যাটারির জন্য ব্যবহার করা হতে পারে। রয়টার্সের জন্য ছবিগুলো মূল্যায়নকারী তিনজন নিরাপত্তা বিশ্লেষকের মতে, এগুলোতে এমন সব স্থাপনাও দেখা গেছে যা ইলেকট্রনিক যুদ্ধ, স্যাটেলাইট যোগাযোগ এবং কমান্ড অপারেশনে ব্যবহৃত হতে পারে।

আগে কখনও প্রকাশ্যে না আসা এই নির্মাণকাজের ব্যাপকতা ইঙ্গিত দেয় যে চীন তার স্থলভিত্তিক পারমাণবিক বাহিনীকে সুরক্ষা ও পরিচালনার জন্য শক্তিশালী অবকাঠামো ব্যাপকভাবে সম্প্রসারণ করছে। পুরো নেটওয়ার্কটি একত্রে বেইজিংয়ের ‘সেকেন্ড-স্ট্রাইক’ বা পাল্টা পারমাণবিক হামলার সক্ষমতা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টায় বড় ধরনের উন্নয়নের বার্তা দেয়। একই সঙ্গে এটি তাইওয়ান ইস্যুসহ বিভিন্ন বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র-চীন উত্তেজনার মধ্যে ক্রমবর্ধমান পারমাণবিক প্রতিযোগিতারও প্রতিফলন।
 
হাওয়াইভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক প্যাসিফিক ফোরামের সহযোগী ফেলো আলেকজান্ডার নিল বলেন, ‘আমরা দেখতে পাচ্ছি, এই অবকাঠামো সাইলো এলাকার বাইরেও হাজার হাজার বর্গকিলোমিটার মরুভূমিজুড়ে বিশাল পরিসরে নির্মাণ করা হচ্ছে। এর প্রকৃত সক্ষমতা কী হবে তার ওপর নির্ভর করে বলা যায়, এটি চীনের কৌশলগত পারমাণবিক প্রতিরোধ ক্ষমতার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সম্প্রসারণ ও বৈচিত্র্যায়ন।’
 
মরুভূমিতে অবস্থিত সাইলোগুলোকে সুরক্ষিত রাখা চীনের ঘোষিত ‘ন্যূনতম কিন্তু বিশ্বাসযোগ্য’ পারমাণবিক প্রতিরোধ নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই নীতির মূল ভিত্তি হলো প্রথমে হামলার শিকার হলেও পাল্টা জবাব দেয়ার সক্ষমতা ধরে রাখা। যদিও চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) সাবমেরিন ও বিমান থেকেও পারমাণবিক অস্ত্র নিক্ষেপ করতে সক্ষম, তবুও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের শিনজিয়াং অঞ্চল ও গানসু প্রদেশের সাইলো ক্ষেত্রগুলোই তাদের পারমাণবিক শক্তির মূল ভিত্তি। 

চীনের পারমাণবিক শক্তি বৃদ্ধি প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সামরিক আধুনিকায়ন কর্মসূচির সবচেয়ে বেশি পর্যবেক্ষিত দিকগুলোর একটি। কারণ, অনেক বিদেশি কূটনীতিকের মতে, বেইজিং তার পারমাণবিক সক্ষমতা ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে পর্যাপ্ত স্বচ্ছতা দেখায় না এবং এ বিষয়ে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগও সফল হয়নি। 

চীনের পারমাণবিক নীতির অন্যতম ভিত্তি হলো ‘নো ফার্স্ট ইউজ’ বা আগে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার না করা। অর্থাৎ, চীনের বাহিনী আগে থেকে কোনো পারমাণবিক যুদ্ধ শুরু করবে না। তবে কিছু পশ্চিমা কূটনীতিক ও বিশ্লেষকের মতে, তাইওয়ানকে ঘিরে সংঘাতের ক্ষেত্রে বাইরের শক্তিগুলোর হস্তক্ষেপ সীমিত করতে চীন পারমাণবিক চাপ প্রয়োগের পথ বেছে নিতে পারে।
 
চলতি মাসে শি জিনপিং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে সতর্ক করে বলেন, তাইওয়ান প্রশ্নে দুই দেশের মতপার্থক্য সঠিকভাবে সামাল দিতে না পারলে পরিস্থিতি ‘বিপজ্জনক পর্যায়ে’ পৌঁছাতে পারে। চীন তাইওয়ানকে নিজের ভূখণ্ড দাবি করলেও, তাইওয়ানের সরকার সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করে।
 
রয়টার্সের প্রশ্নের জবাবে চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি বা স্যাটেলাইট চিত্রে উঠে আসা নতুন স্থাপনাগুলো সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করেনি। একইভাবে মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগনও গোয়েন্দা-সংক্রান্ত বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। 
 
মরুভূমিতে অষ্টভুজ স্থাপনা
 
নতুন এই সামরিক অবকাঠামোর কেন্দ্রে আছে পূর্ব শিনজিয়াংয়ে গত ছয় বছরে নির্মিত দুটি অষ্টভুজাকৃতির (অক্টাগন) স্থাপনা। দুটি স্থাপনাই হামি অঞ্চলের পারমাণবিক সাইলো ক্ষেত্রের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত, একটি প্রায় ১৪০ কিলোমিটার এবং অন্যটি প্রায় ২৩০ কিলোমিটার দূরে।
 
স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা যায়, এই অষ্টভুজ স্থাপনাগুলোর মধ্যে সেনা সদস্যদের আবাসন ও বড় সামরিক যানবাহন রাখার সুবিধা রয়েছে। এর পাশে রয়েছে সাঁজোয়া বাঙ্কার, সুরক্ষিত অস্ত্র সংরক্ষণাগার, বিমানঘাঁটি এবং রেল সংযোগ, যা হামি সাইলো ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত।
 
ছবিতে আরও দেখা যায়, চলতি মাস এবং গেল এপ্রিলে উত্তরাঞ্চলের অষ্টভুজ স্থাপনাটির আশপাশে বড় সামরিক যানবাহন নিয়ে মহড়া পরিচালিত হয়েছে। সাম্প্রতিক ছবিতে বড় বড় তাঁবু এবং মরুভূমির ভেতরে ছদ্মবেশী উৎক্ষেপণস্থলও দেখা যায়, যেগুলোর কিছুতে আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যাটারি রয়েছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। 

অষ্টভুজ স্থাপনাগুলোর অস্তিত্ব আগে থেকেই জানা ছিল। তবে রয়টার্সই প্রথম জানাল যে, এই স্থাপনাগুলোর সঙ্গে যুক্ত বিস্তৃত উৎক্ষেপণ-প্যাড নেটওয়ার্ক, সাম্প্রতিক সামরিক কার্যক্রম এবং বিশ্লেষকদের সেই মূল্যায়নের কথা, যেখানে বলা হয়েছে যে এসব প্যাড মোবাইল ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণযান ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধ পরিচালনার জন্য ব্যবহার করা হতে পারে।
 
রয়টার্সকে দেয়া সাক্ষাৎকারে পাঁচজন নিরাপত্তা বিশ্লেষক একমত হয়েছেন যে, এই অবকাঠামো চীনের পারমাণবিক কর্মসূচিকে সমর্থন করতে পারে, পাশাপাশি অন্যান্য সামরিক উদ্দেশেও ব্যবহৃত হতে পারে। তবে তারা সতর্ক করে বলেন, এই উৎক্ষেপণ প্যাডগুলোতে কী ধরনের অস্ত্র মোতায়েন করা হবে বা অষ্টভুজ স্থাপনাগুলোতে ট্রাকভিত্তিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রাখা হবে কি না– এখনো এমন অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অজানা।
 
গত সেপ্টেম্বরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তির ৮০তম বার্ষিকী উপলক্ষে বেইজিংয়ে আয়োজিত সামরিক কুচকাওয়াজে পিএলএ পারমাণবিক সক্ষমতাসম্পন্ন বিভিন্ন অস্ত্র প্রদর্শন করে। এর মধ্যে সাইলোভিত্তিক এবং ট্রাকে বহনযোগ্য আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) ছিল। 

মার্কিন কর্মকর্তা ও অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ বিশ্লেষকরা বলছেন, চীন অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে দ্রুতগতিতে তার পারমাণবিক অস্ত্রের সক্ষমতা প্রসারিত ও উন্নত করছে। চীনের সামরিক আধুনিকীকরণ বিষয়ে পেন্টাগনের সবশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উৎপাদনের গতি মন্থর হলেও দেশটি ২০৩০ সালের মধ্যে ১ হাজার পারমাণবিক ওয়ারহেড মোতায়েনের পথে রয়েছে। ডিসেম্বরের ওই প্রতিবেদনে অনুমান করা হয়েছে যে, চীন তার তিনটি প্রধান সাইলো ফিল্ডে শতাধিক আইসিবিএম মোতায়েন করতে পারে।
 
মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, চীনও তার হুওইয়ান-১ স্যাটেলাইট-ভিত্তিক আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থাও শক্তিশালী করছে। পেন্টাগনের তথ্যমতে, এই ব্যবস্থাটি উৎক্ষেপণের ৯০ সেকেন্ডের মধ্যে ধেয়ে আসা একটি আইসিবিএম শনাক্ত করতে পারে এবং তিন থেকে চার মিনিটের মধ্যে কমান্ড সেন্টারে সতর্কবার্তা পাঠাতে পারে, যা আঘাত হানার আগেই চীনের নিজস্ব সাইলো-ভিত্তিক অস্ত্র নিক্ষেপের জন্য যথেষ্ট সময়।
 
‘অসাধারণ প্রচেষ্টা’
 

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, প্রতিটি অষ্টভুজ স্থাপনাকে ঘিরে রয়েছে মাটির রাস্তা ও ভূগর্ভস্থ সংযোগপথের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক, যা মরুভূমির গভীরে ছড়িয়ে গেছে। এসব পথ কংক্রিটের উৎক্ষেপণ প্যাডগুলোর সঙ্গে যুক্ত, যেগুলো পাথুরে উঁচুনিচু এলাকা ও শুকিয়ে যাওয়া খালের মাঝে নির্মিত।
 
তিনজন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞের মতে, এসব প্যাড মোবাইল আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ কেন্দ্র কিংবা বড় প্যাডগুলোর ক্ষেত্রে সড়কপথে চলাচলকারী আইসিবিএম উৎক্ষেপণযান মোতায়েনের জন্য ব্যবহার করা হতে পারে।
 
ফেডারেশন অব আমেরিকান সায়েন্টিস্টসের নিউক্লিয়ার ইনফরমেশন প্রজেক্টের পরিচালক হ্যান্স ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘এই স্থাপনাগুলো কীভাবে ব্যবহার করা হবে তা নিশ্চিতভাবে বলা কঠিন, তবে এমন প্রতিকূল পরিবেশে এত বড় অবকাঠামো নির্মাণের পরিপ্রেক্ষিতে কোনো সম্ভাবনাকেই উড়িয়ে দেয়া যায় না।’
 
ক্রিস্টেনসেন ও নিলের মতে, অষ্টভুজ স্থাপনাগুলোর সঙ্গে উৎক্ষেপণ প্যাডগুলোকে যুক্ত করা ভূগর্ভস্থ সংযোগপথে যোগাযোগের জন্য ফাইবার-অপটিক কেবল থাকতে পারে। 
সবচেয়ে উত্তরের অষ্টভুজ স্থাপনাটিতে সম্ভাব্য মহাকাশ বা মাইক্রোওয়েভ যোগাযোগ কেন্দ্রও নির্মাণাধীন। তিন বিশ্লেষকের মতে, সেখানে স্যাটেলাইট ডিশ এবং দুটি বড় টাওয়ার দেখা গেছে।
 
কার্নেগি এনডাওমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিসের পারমাণবিক নীতি বিষয়ক সিনিয়র ফেলো টং ঝাও বলেন, ‘সবকিছু মিলিয়ে আমি মনে করি, অষ্টভুজ স্থাপনা এবং রহস্যময় টাওয়ারগুলো কমান্ড, কন্ট্রোল ও কমিউনিকেশন (সি৩) ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। পাশাপাশি, হামি আইসিবিএম সাইলো স্থাপনার পারমাণবিক কার্যক্রমের রক্ষণাবেক্ষণ ও সংরক্ষণ কাজেও এগুলো ব্যবহৃত হতে পারে।’
 
লোপ নুর পারমাণবিক পরীক্ষা কেন্দ্রের দক্ষিণে আরেকটি অষ্টভুজ স্থাপনা রয়েছে, তবে সেটি তুলনামূলকভাবে কম উন্নত। এটি সম্ভবত লক্ষ্যভেদ অনুশীলনের জন্য ব্যবহৃত হয়। স্যাটেলাইট চিত্রে সেখানে বোমার আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি, ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবন এবং পশ্চিমা যুদ্ধবিমানের আদলে তৈরি মক-আপ দেখা গেছে। 
সাইলোগুলোর কাছে থাকা প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের বিস্তৃতি চীনকে অন্যান্য প্রধান পারমাণবিক শক্তিগুলো থেকে আলাদা করে তুলতে পারে। 

ক্রিস্টেনসেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া– যাদের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার এবং মোতায়েনকৃত অস্ত্রের সংখ্যা চীনের তুলনায় অনেক বেশি, সাধারণত বিপুল সংখ্যক সাইলো, তাদের বিচ্ছিন্ন অবস্থান এবং শক্তিশালী নির্মাণকাঠামোর ওপর নির্ভর করে প্রথম হামলা প্রতিরোধের কৌশল গড়ে তুলেছে; বিস্তৃত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর নয়।
 
চীনের উত্তর-পশ্চিম মরুভূমিতে যা উদ্ভূত হচ্ছে তার ব্যাপকতা অভিজ্ঞ বিশ্লেষকদেরও হতবাক করে দিয়েছে। ক্রিস্টেনসেন-এর ভাষ্য, ‘আমি এর আগে এমন কিছু দেখিনি। এটি একটি অসাধারণ প্রচেষ্টা।’

সূত্র: রয়টার্স




  বিষয়:   চীন  পারমাণবিক  রয়টার্স 



Loading...
Loading...


আন্তর্জাতিক এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy