প্রকাশ: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ৬:৪৬ পিএম (ভিজিট : ৩৪)

X
হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু
নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক জিয়া। জিয়া স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়ে বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছিলেন। পরবর্তীতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে বাকশালের অবসান ঘটিয়ে বহুদলীয় গনতন্ত্র প্রবর্তন করেন। সংবাদ পত্রের টুটি চেপেধরে মাত্র ৪টি পত্রিকার রেখে অবশিষ্টদের ডিক্লারেশন বাতিলের মাধ্যমে দেশের মানুষের বাক স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দায়িত্ব নিয়ে সকল সংবাদপত্র খুলে দেন, মানুষের কথা বলার অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। কর্ম হারিয়ে সাংবাদিকরা আপেল, মুগরির দোকানদার হয়ে সংসার পরিচালনা করে আসছিলেন। সংবাদপত্র খুলে দেওয়ায় সবার কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছিল।
তিনি বলেন, এদেশে গণতন্ত্র বারবার হুচট খেয়েছে। যতবার হুচট খেয়ে ততবার জিয়া পরিবার বাকশাল, শৈরাচার ও ফ্যাসিষ্টের হাত থেকে দেশকে উদ্ধার করেছেন। যখনই গণতন্ত্র বিপন্ন হতে গেছে তখনই তারেক রহমান ত্রাণকর্তা হিসেবে মানুষের পাশে দাড়িয়েছেন। সর্বশেষ গত ১২ ফেব্রুয়ারী এদেশের মানুষ নিরষ্কুশ সমর্থন দিয়ে তারেক রহমানকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য তাদের কর্মকান্ড অব্যহত থাকবে। এ যাত্রাকে কোন ষড়যন্ত্র, চক্রান্ত যাতে বাধাগ্রস্থ করতে না পারে তার জন্য সকল রাজনৈতিক দল বিশেষ করে ৫ই আগষ্ট আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে যে ফ্যাসিষ্টের পতন হয়েছিল তাদের বিরুদ্ধে এদেশের সকল গণতান্ত্রিক রাজনৈতক দলকে সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। যাতে কোন ভাবেই বাংলাদেশের গনতন্ত্র এবং সার্বভৌমত্বকে বিপন্ন করতে না পারে।
সোমবার (১ জুন) বিকেলে বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে বড়াইগ্রাম উপজেলা, বনপাড়া পৌর বিএনপি ও সহকল সহযোগি অঙ্গ সংগঠন আয়োজিত শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা বিএনপির সদস্য ও বনপাড়া কলেজের অধ্যক্ষ এম লুৎফর রহমানের সভাপেতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তৃতা করেন নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আব্দুল আজিজ।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন জেলা বিএনপির সদস্য অধ্যক্ষ আশরাফ আলী, বিএনপি নেতা কাজী শাহ আলম, ফরহাদ আলী দেওয়ান শাহীন, মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন, অধ্যাপক আব্দুল আলীম, মহুয়া নূর কচি, সরদার রফিকুল ইসলাম, সোলায়মান আলী, খলিলুর রহমান গাজী, আব্দুস সালাম মোল্লা, এবিএম ইকবাল হোসেন রাজু প্রমুখ।