প্রকাশ: রোববার, ৭ জুন, ২০২৬, ১০:১৬ এএম (ভিজিট : ২৭)

X
ফাইল ছবি
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় বাসটির চালক, সুপারভাইজার ও হেলপারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে নৌ পুলিশ। মামলার পর তাদের গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
বিষয়টি জানিয়েছেন গোয়ালন্দঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সফিকুল ইসলাম।
শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটে বাসডুবির ঘটনায় ওই রাতে দৌলতদিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবুজার গিফারী বাদী হয়ে গোয়ালন্দঘাট থানায় মামলা দায়ের করেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আলামপুর এলাকার বাসচালক মো. ঝন্টু আলী (৪৮), কুষ্টিয়ার সুগ্রীবপুর এলাকার সুপারভাইজার মো. আজমল হোসেন (৩৮) এবং আলামপুর এলাকার হেলপার শাকিব হোসেন (২২)।
ওসি সফিকুল জানান, শুক্রবার সকালে দৌলতদিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ৭ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পালন করছিলেন। সকাল ৯টা ২৫ মিনিটের দিকে মেহেরপুরের গাংনী থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী এসবি সুপার ডিলাক্স পরিবহনের বাসটি ফেরিঘাটে পৌঁছায়।
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ফেরিতে ওঠার আগে যাত্রীদের বাস থেকে নামিয়ে দেয়ার জন্য চালককে নির্দেশ দেন নৌ পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিসির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা। নির্দেশনা মেনে যাত্রীরা বাস থেকে নেমে পায়ে হেঁটে ফেরির দিকে যেতে থাকেন। এর কিছুক্ষণ পর চালক ঝন্টু আলী বাসটি স্টার্ট দিয়ে বেপরোয়া ও অবহেলামূলকভাবে চালাতে শুরু করলে নির্ধারিত ফেরি ‘বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর’-এ না তুলে বাসটি দ্রুতগতিতে পন্টুন অতিক্রম করে সেখানে অবস্থানরত ‘করবী অক্সফ্যাম’ ফেরিতে উঠে যায়। পরে ফেরিটির শেষ প্রান্তের র্যাম্পে সজোরে ধাক্কা দিলে র্যাম্পের শিকল ও সিটকিনি ছিঁড়ে গিয়ে বাসটি পদ্মা নদীতে পড়ে যায়।
জানাযায় নৌ পুলিশের দায়ের করা মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার তিনজনকে আজ শনিবার আদালতে পাঠালে বিজ্ঞ আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করে।