চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় ‘শিশু ধর্ষণ’ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ

চট্টগ্রাম ব্যুরো

সারাবাংলা

চট্টগ্রামের বাকলিয়ার চেয়ারম্যান ঘাটা এলাকায় সাড়ে তিন বছরের শিশু ‘ধর্ষণের’ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।রোববার (১৪ জুন) চট্টগ্রাম মহানগরের

2026-06-14T17:30:52+00:00
2026-06-14T17:35:11+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় ‘শিশু ধর্ষণ’ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: রোববার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৫:৩০ পিএম  আপডেট: ১৪.০৬.২০২৬ ৫:৩৫ পিএম  (ভিজিট : ৫০)
চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় ‘শিশু ধর্ষণ’ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ
X

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় ‘শিশু ধর্ষণ’ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ

চট্টগ্রামের বাকলিয়ার চেয়ারম্যান ঘাটা এলাকায় সাড়ে তিন বছরের শিশু ‘ধর্ষণের’ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

রোববার (১৪ জুন) চট্টগ্রাম মহানগরের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে মামলার শেষ ৩ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা শেষ হয়।

বিচারক সৈয়দা হাফছা ঝুমার আদালত আসামিপক্ষের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য সোমবার দিন রেখেছেন বলে ট্রাইব্যুনালের পিপি মাহমুদ-উল আলম চৌধুরী মারুফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, “মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এবং চিকিৎসকসহ মোট ৩ জন আজ সাক্ষ্য দিয়েছেন। মোট তিন কার্যদিবসে আলোচিত এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হল।

এর আগে গত বুধবার নয় জন এবং বৃহস্পতিবার ছয়জন এই মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছিলেন। সব মিলিয়ে মোট ১৮ জন এ মামলায় সাক্ষ্য দিলেন।

রোববার শুনানিতে আসামি মনির হোসেনের পক্ষে রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী সাক্ষীদের বিভিন্ন বিষয়ে জেরা করেন।

এখন আসামির আত্মপক্ষ সমর্থন এবং বাদী ও আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি হলেই মামলাটি রায়ের পর্যায়ে আসবে।

৩২ বছর বয়সী আসামি মনিরের বাড়ি কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার ঘারঘাটা এলাকায়। চট্টগ্রামে তিনি থাকতেন নগরীর বাকলিয়া এলাকার মিয়াখান নগরে। চেয়ারম্যান ঘাটা এলাকার একটি ডেকোরেটরের দোকানে চাকরি করতেন তিনি।

২১ মে বিকেলে সেখানে সাড়ে তিন বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে মনিরের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে।

পুলিশ মনিরকে থানায় নেওয়ার চেষ্টা করলে এলাকাবাসী বাধ সাধে। তারা বলে, তারাই ওই যুবকের ‘শাস্তি’ নিশ্চিত করতে চায়।

দুই ঘণ্টা চেষ্টা করেও মনিরকে থানায় নিয়ে যেতে না পেরে পুলিশ সন্ধ্যায় টিয়ার শেল ছোড়ে। এক পর্যায়ে স্থানীয়রা জড়ো হয়ে পুলিশের গাড়ি ঘিরে ফেলে। দফায় দফায় সংঘর্ষে বাকলিয়া এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পুলিশের একটি বড় ট্রাকে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটে। এসময় সাংবাদিকসহ অন্তত ৪০ জন আহত হন।

সেদিন শিশুটিকে উদ্ধারের পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। শিশুটির বাবা বাকলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন।

সেই মামলায় ২২ মে বিকেলে মনির হোসেনকে চট্টগ্রামের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবু বক্কর সিদ্দিকের আদালতে হাজির করার হলে তিনি ‘স্বীকারোক্তিমূলক’ জবানবন্দি দেন বলে সে সময় পুলিশের তরফে জানানো হয়।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) হোসাইন মো. কবির ভূঁইয়া সে সময় বলেছিলেন, “ঘটনার দিন ওই শিশুটির বাবা ঢাকায় ছিলেন এবং মা ছিলেন গার্মেন্টেস কারখানায়। সেসময় শিশুটি তার নানির সাথে ছিল। এ সুযোগে মনির কৌশলে শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা বা ধর্ষণ করেছে। বিষয়টি মেডিকেল প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।”

দুই সপ্তাহ তদন্তের পর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাকলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তানভীর আহমেদ গত ৪ জুন আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। সেখানে আসামি মনির হোসেনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩)-এর ৯(১) ধারায় ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়। মামলায় মোট ২২ জনকে সাক্ষী করা হয় ।

চট্টগ্রাম মহানগরের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দা হাফছা ঝুমা ৯ জুন আসামি মনির হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে তার বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরদিন শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ।





Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy