অক্সফোর্ডে পূর্বনির্ধারিত একটি বিতর্ক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে যাওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দুই সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সাদিক কায়েমকে স্বাগত জানাতে বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থক জড়ো হয়েছেন। অক্সফোর্ডে ভিপি সাদিক কায়েম, ভুলে যাননি ফিলিস্তিনকে, পরিধান করছেন কেফিয়া।
অক্সফোর্ড ইউনিয়নের প্যানেল ডিস্কাশনে চারজন প্যানেলিস্টদের মধ্যে সবাই ভালো বক্তব্য দিয়েছে, সাদিক কায়েম জুলাই থেকে শুরু করে, আবরার ফাহাদ ,আবু সাইদ সবাইর কথা বলেছেন।
নাবিলা ইদ্রিস খুব ভালো ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন রাস্ট্রীয় বাহিনী কিভাবে গুম করেছে ,ওনার ইংলিশ অনেক ভালো।
হাসনাত বক্তব্যের শুরুতে নিজেকে রাজমিস্ত্রীর সন্তান হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন এবং হাসনাত তার বক্তব্যের শুরুতে পাকিস্তানের ইমরান খানকে স্মরণ করেছেন যে এই সেইম চেয়ার এক সময় ইমরান খানও শেয়ার করেছেন।
হাসনাতের ইংলিশ ছিল fluent, confident এবং articulate। এক কথায় টপনছ।
প্যানেল ডিস্কাসনের এক পর্যায়ে সাদিক কায়েম ও হাসনাত আব্দুল্লাহ উভয়কে যখন জিজ্ঞাসা করা হয় যে জুলাই পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ সম্পর্কে তাদের অবস্থান কী এবং লীগের রাজনীতি কি হবে?
সাদিক খুবই স্টেট ফরোয়ার্ড আন্সার দিছে, “ইউরোপে হিটলার ও নাৎসি বাহিনীর যে পরিনতি হয়েছে, আওয়ামী লীগের ক্ষেত্রেও একই ধরনের পরিনতি হবে।
আর হাসনাতের আনসার ছিল, আজ আমরা এখানে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষ একসঙ্গে বসে আলোচনা করছি। কিন্তু আওয়ামী লীগকে আমরা এই আলোচনার টেবিলে স্থান দিই নাই, They are barking in the street, and there is no seat for them here. তাদের বাকি জীবন জীল্লতির জীবন।
রবিবার (স্থানীয় সময়) বিকেল ৬টার কিছু আগে অক্সফোর্ডের বিতর্ক অনুষ্ঠানের ভেন্যুর সামনে এনসিপি এবং জামায়াত-শিবিরের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী জড়ো হন। তারা স্লোগান দিয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সাদিক কায়েমকে স্বাগত জানান।
অন্যদিকে, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের নেতা সুশান্ত দাসের নেতৃত্বে একটি দোতলা বাসে করে কিছু নেতাকর্মী সেখানে উপস্থিত হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন শুরু করেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিতর্ক ভেন্যুর সামনে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এ সময় উভয় পক্ষ একে অপরের উদ্দেশে পাল্টাপাল্টি স্লোগান দেয়।
তবে স্থানীয় সময় বিকেল ৬টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত কোনও অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। পুলিশ কঠোর অবস্থানে থেকে পরিস্থিতি শান্ত রাখে।
উল্লেখ্য, পূর্ব লন্ডনের আলতাব আলী পার্কে গত শুক্রবার এনসিপির উদ্যোগে একটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে অংশ নেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। এর দুই দিন পর রবিবার বিকেলে সেখানে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের স্লোগান দিতে দেখা যায়।