জাইমা রহমানের ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা, রিমান্ডে আইনজীবী

নিজস্ব প্রতিবেদক

আইন-আদালত

তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমান এবং সরকারের বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেলের মেয়ের ছবি ব্যবহার করে চটকদার বিজ্ঞাপনে প্রতারণার অভিযোগে

2026-06-23T21:08:37+00:00
2026-06-23T21:08:37+00:00
সোমবার ১০ আগস্ট ২০২৬ ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার ১০ আগস্ট ২০২৬
   
জাইমা রহমানের ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা, রিমান্ডে আইনজীবী
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৯:০৮ পিএম   (ভিজিট : ৫২)
অ্যাডভোকেট শফিক নজরুল
X

অ্যাডভোকেট শফিক নজরুল

তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমান এবং সরকারের বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেলের মেয়ের ছবি ব্যবহার করে চটকদার বিজ্ঞাপনে প্রতারণার অভিযোগে অ্যাডভোকেট শফিক নজরুলকে চার দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।  

আজ মঙ্গলবার (২৩ জুন) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে আসামিকে হাজির করে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন শেরেবাংলা নগর থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) আবদুল্লাহ আল মামুন। 

রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীদের দীর্ঘ শুনানি শেষে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম জামিন আবেদন নাকচ করে চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, আসামি শফিক নজরুল দীর্ঘদিন ধরে বার কাউন্সিল পরীক্ষা এবং সরকারকে বিতর্কিত করার উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চটকদার ও বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন দিয়ে আসছিলেন। তিনি সাধারণ পরীক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করতে জাইমা রহমান ও অ্যাটর্নি জেনারেলের কন্যার ছবি ব্যবহার করে ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দেন। এই চক্রের মূল হোতাদের চিহ্নিত করতে এবং অর্থ লেনদেনের বিস্তারিত তথ্য উদঘাটনে আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা জরুরি।

এদিকে শুনানির সময় আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজের বক্তব্য পেশ করেন আইনজীবী শফিক নজরুল। তিনি নিজেকে নিরপরাধ দাবি করে বলেন, “আমি এই ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নই। আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ ভিত্তিহীন। কারো কাছ থেকে প্রশ্ন দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার কোনো প্রমাণ কেউ দেখাতে পারবে না। আমি পরীক্ষার আগে শুধু একটা সাজেশন দিয়েছিলাম, যা থেকে শতভাগ প্রশ্নই কমন পড়েছে। একজন এক্সপার্ট হিসেবে আমি সাজেশন দিতেই পারি। আমাকে গতকাল মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করে আটকে রাখা হয়েছিল।” 

মামলার এজাহার ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, শফিক নজরুল ‘LAW DOCTOR’ নামের একটি ফেসবুক পেজের মাধ্যমে ‘১০০টি এমসিকিউ পড়লেই নিশ্চিত পাস’— এমন চটকদার বিজ্ঞাপন প্রচার করতেন। নিজেকে প্রভাবশালী মহলের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি হিসেবে পরিচয় দিয়ে তিনি পরীক্ষার্থীদের বিশ্বাস অর্জন করতেন এবং সুকৌশলে বড় অঙ্কের টাকা দাবি করতেন। 

এক ভুক্তভোগী পরীক্ষার্থীর অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, বার কাউন্সিল পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেওয়ার কথা বলে তার কাছ থেকে প্রথমে ৮ লাখ টাকা দাবি করা হয়। পরবর্তীতে শফিক নজরুল ধাপে ধাপে তার কাছ থেকে ৪ লাখ ৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন। তবে গত ১২ জুনের বার কাউন্সিল পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর দেখা যায় ওই পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন।





Loading...
Loading...


আইন-আদালত এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy