
X
সংগৃহীত ছবি
রাজধানীর যানজট নিরসন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে বৃত্তাকার সড়ক ও নৌপথের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্প নিয়ে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে নগরীর যানজট কমানো, বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং আধুনিক পরিবহন অবকাঠামো গড়ে তোলার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
আজ বুধবার (১ জুলাই) বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সড়ক ব্যবস্থাপনা বিষয়ক এক বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু।
বৃত্তাকার এই রিং রোড নির্মাণ হলে ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-মাওয়া ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যাতায়াতের ক্ষেত্রে রাজধানীর অভ্যন্তরীণ সড়ক ব্যবহার করতে হবে না। এতে নগরের সড়কে যানবাহনের চাপ কমবে এবং যানজটও হ্রাস পাবে।
একইভাবে, ঢাকা শহরকে ঘিরে থাকা ১১০ কিলোমিটার নৌপথ চালু করা গেলে রাজধানীর সড়কে যানবাহনের চাপ কমবে এবং মানুষ সহজেই এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে নৌপথে যাতায়াত করতে পারবেন।
বৈঠকে এ বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়। বিশেষজ্ঞরা এর কারিগরি দিক উপস্থাপন করেন। তারা জানান, নৌপথ ব্যবহার করলে পরিবেশ দূষণ কমবে, জ্বালানি সাশ্রয় হবে এবং যাতায়াতে সময়ও কম লাগবে। কারণ, নৌপথের যানবাহনগুলো হবে বিদ্যুৎচালিত।
বৈঠকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব শহীদুল হাসান, সড়ক পরিবহন সচিব জিয়াউল হক, নৌপরিবহন সচিব মো. জাকারিয়া, রেলপথ সচিব ফাহমিদুল ইসলাম, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান মহিদুল ইসলাম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী জহিরুল ইসলাম, প্রধান প্রকৌশলী নুর আজিজুর রহমান, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. বোরহান উদ্দিন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মিঠুন চন্দ্র শীল এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক খান মাহমুদ আমানত ও অধ্যাপক মো. হাদিউজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
হাসান শিপলু বলেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজধানীর যানজট কীভাবে নিরসন করা সম্ভব হবে, তা বৈঠকে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে রাজধানীর ইনার সার্কুলার রিং রোড নির্মাণ প্রকল্পের সর্বশেষ অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে।
ঢাকার ইনার সার্কুলার রিং রোড গাবতলী থেকে বাবুবাজার এবং পোস্তগোলা থেকে ডেমরা পর্যন্ত বিস্তৃত। ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রকল্পের রায়েরবাজার, হাজারীবাগ ও কামরাঙ্গীরচর অংশের নির্মাণকাজ চলছে। বৈঠকে জানানো হয়, এ অংশের ৪৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।