প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ১২:৩১ পিএম (ভিজিট : ৪৮)

X
ফাইল ছবি
আপিল বিভাগের রায়ে সারা দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগে দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতার অবসান হয়েছে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) আপিল বিভাগের রায় ঘোষণার পর এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, আদালতের এ রায়ের ফলে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিদ্যমান আইনি বাধা দূর হয়েছে। এতে দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা নিয়োগ কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার পথ সুগম হলো।
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ আজকে একটা রায় দিয়েছেন। এ রায়টি সরকারের পক্ষে, রাষ্ট্রের পক্ষে ঘোষিত হয়েছে। আপিলটি মঞ্জুর হয়েছে অর্থাৎ দীর্ঘদিন পর্যন্ত যে আমাদের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রৈ যে আইনি জটিলতা ছিল আজকের এ রায়ের মাধ্যমে সে জটিলতা দুরীভূত হলো। প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রমে আজকের রায়টি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে চার সদস্যের বেঞ্চ এ রায় দেন। ২০১৭ সালে ৫০ শতাংশ চাকরিকাল গণনা করে গ্রেডেশন তালিকা প্রণয়নপূর্বক জ্যেষ্ঠতা প্রদান, প্রধান শিক্ষক হিসেবে স্কেল প্রাপ্তি এবং নানাবিধ আর্থিক ও প্রশাসনিক সুবিধা প্রদানের দাবিতে হাইকোর্ট রিট দায়ের করা হয়। সেই রিটে হাইকোর্ট রুল দেন। পরে রুলের শুনানি শেষে ২০১৯ সালের ১১ মার্চ হাইকোর্ট রুল আংশিক মঞ্জুর করেন। সেই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। বৃহস্পতিবার সেই আপিল মঞ্জুর করেন আপিল বিভাগ।
এর আগে এ প্রসঙ্গে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছিলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের সংকট দূর করতে ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। তবে আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে নিয়োগ কার্যক্রম আটকে রয়েছে। এ জটিলতা নিরসনে সরকার কাজ করছে।