আযমীসহ ১৫০ সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি, স্বাভাবিক অবসর

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয়

বাংলাদেশ সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত, অপসারিত, অব্যাহতিপ্রাপ্ত এবং বরখাস্ত হওয়া ১৫০ জন কর্মকর্তাকে সরকার স্বাভাবিক অবসর বা

2026-07-03T17:34:40+00:00
2026-07-03T17:34:40+00:00
সোমবার ১০ আগস্ট ২০২৬ ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার ১০ আগস্ট ২০২৬
   
আযমীসহ ১৫০ সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি, স্বাভাবিক অবসর
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩৪ পিএম   (ভিজিট : ৩৯৪)
ফাইল ছবি
X

ফাইল ছবি


বাংলাদেশ সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত, অপসারিত, অব্যাহতিপ্রাপ্ত এবং বরখাস্ত হওয়া ১৫০ জন কর্মকর্তাকে সরকার স্বাভাবিক অবসর বা ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যাদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির গোলাম আযমের ছেলে আবদুল্লাহিল আমান আযমীও রয়েছেন।

২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৪ অগাস্ট পর্যন্ত আওয়ামী লীগের শাসনামলে তারা চাকরিজীবনে ‘বঞ্চনা, অবিচার ও প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন’ বিবেচনা করে সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি পাওয়া ওই কর্মকর্তারা বকেয়া বেতন-ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধাও পাবেন বলে গত বুধবার এক প্রজ্ঞাপনে জানিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

একাত্তরের যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিত গোলাম আযমের ছেলে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল্লাহিল আমান আযমীকে ২০০৯ সালের ২৪ জুন বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছিল। ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ওই বছরের ডিসেম্বরে তার বরখাস্তের আদেশ বাতিল করে তখনকার অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

তার বদলে ২০০৯ সালের ২৪ জুন থেকে তাকে ভুতাপেক্ষভাবে 'অকালীন (বাধ্যতামূলক) অবসর' দেওয়া হয় সে সময়।

আর এবার, বিএনপি সরকারের আমলে তাকে ২০১১ সালের ২৬ ডিসেম্বর তারিখ থেকে ভূতাপেক্ষ মেজর জেনারেল এবং ২০১৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর অবসরের আগে লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দেওয়া হল।

তিনি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ও মেজর জেনারেল উভয় পদের বকেয়া বেতন-ভাতা, বিধি অনুযায়ী অন্যান্য আর্থিক সুবিধা, এক কোটি টাকা বিশেষ আর্থিক প্রণোদনা এবং বয়স ও যোগ্যতাসাপেক্ষে সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে পদায়নের সুযোগ পাবেন।

এছাড়া এসএসএফ এর সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সৈয়দ ফাতেমী আহমেদ রুমিও রয়েছেন ভূতাপেক্ষ পদোন্নতিপ্রাপ্তদের তালিকায়, যাকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়েছিল। প্রজ্ঞাপনে তাকে স্বাভাবিক অবসরে পাঠানোর কথা বলা হয়েছে।

এই ১৫০ কর্মকর্তার মধ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১১৫ জন, নৌবাহিনীর ২১ জন ও বিমানবাহিনীর ১৪ জন রয়েছেন।



প্রজ্ঞাপনে দেখা যায়, অধিকাংশ কর্মকর্তার বাধ্যতামূলক বা অকালীন অবসর বাতিল করে বয়সসীমা পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত চাকরি বহাল ধরে ‘স্বাভাবিক অবসর’ দেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে অনেককে লেফটেন্যান্ট জেনারেল, মেজর জেনারেল, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ও কর্নেল পদে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে তারা সংশ্লিষ্ট পদে চাকরির মেয়াদ পর্যন্ত বকেয়া বেতন-ভাতা ও বিধি অনুযায়ী অন্যান্য আর্থিক সুবিধা পাবেন।

কয়েকজন কর্মকর্তার ক্ষেত্রে বিশেষ আর্থিক ও প্রশাসনিক সুবিধাও দেওয়া হয়েছে। কারও জন্য এককালীন ৫০ লাখ টাকা, আবার কারও জন্য ১ কোটি টাকা পর্যন্ত বিশেষ আর্থিক প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বয়স ও যোগ্যতাসাপেক্ষে সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে পদায়নেরও সুযোগ রাখা হয়েছে।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ‘বঞ্চনার শিকার’ হয়েছেন এমন সেনা কর্মকর্তাদের বিষয়টি বিবেচনার জন্য বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি কমরা হয়।

অবসরপ্রাপ্ত, অপসারণকৃত, অব্যাহতিপ্রাপ্ত ও বরখাস্ত অফিসারদের আবেদন পর্যালোচনা করে ওই কমিটি এই ১৫০ জনকে স্বাভাবিক অবসর বা ভূতাপেক্ষ পদোন্নতিসহ স্বাভাবিক অবসর বা অকালীন (বাধ্যতামূলক) অবসর দেওয়ার সুপারিশ করে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়।





Loading...
Loading...


জাতীয় এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy