জবি শিক্ষার্থীকে মারধর ও পুলিশের লাঠিচার্জ: অবরোধ

জবি প্রতিনিধি

শিক্ষা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, পুলিশের লাঠিচার্জ এবং সড়ক অবরোধের

2026-07-07T09:56:16+00:00
2026-07-07T09:56:16+00:00
সোমবার ১০ আগস্ট ২০২৬ ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার ১০ আগস্ট ২০২৬
   
জবি শিক্ষার্থীকে মারধর ও পুলিশের লাঠিচার্জ: অবরোধ
জবি প্রতিনিধি
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:৫৬ এএম   (ভিজিট : ৪১)
ছবি: প্রতিনিধি
X

ছবি: প্রতিনিধি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, পুলিশের লাঠিচার্জ এবং সড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অন্তত দুই শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। অভিযুক্ত আশিক ও প্লাম্বার মাইকেলকে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) মধ্যরাতে পুরান ঢাকার মুরগিটোলা মোড় সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের সূত্রে জানা যায়, আইন বিভাগের ১৯তম আবর্তনের শিক্ষার্থী আজহারুল ইসলাম রাহাত বাসার পানির লাইন মেরামতের জন্য বাড়িওয়ালাকে ৫০০ টাকা দেন। পরে কাজ শেষ হলে প্লাম্বার মাইকেল আবারও টাকা দাবি করেন। অতিরিক্ত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে মাইকেল রাহাতের জুতা নিয়ে চলে যান। জুতা ফেরত চাইতে গেলে দুজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়, যা একপর্যায়ে হাতাহাতিতে রূপ নেয়।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, এ সময় বাড়িওয়ালার ছেলে আশিক ঘটনাস্থলে এসে রাহাতকে মারধর করেন। এতে তার মাথা ফেটে যায়। খবর পেয়ে রাহাতের সহপাঠী ও বন্ধুরা ঘটনাস্থলে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গেন্ডারিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এ সময় শিক্ষার্থীরা পুলিশের উপস্থিতিতেই আশিককে মারধরের চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে।

লাঠিচার্জে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এবং গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ১৮তম আবর্তনের শিক্ষার্থী লিমন ইসলাম আহত হন। এছাড়া আহত রাহাতকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পর আশিক ও মাইকেলকে পুলিশ হেফাজতে নেয়। এর প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা মুরগিটোলা মোড় অবরোধ করে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন। এতে ওই এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং দীর্ঘ সময় উত্তেজনা বিরাজ করে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. নাসির উদ্দীন বলেন, "আমি খোঁজ নিয়েছি। শিক্ষার্থীরা পুলিশের কাছ থেকে অভিযুক্তদের ছিনিয়ে নিয়ে মারতে চাইলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লাঠিচার্জ করে এবং অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনে। দুজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। আমরা তাদের খোঁজখবর রাখছি।"

এদিকে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া পুলিশের দায়িত্ব। কিন্তু শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

এ বিষয়ে গেন্ডারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, "আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলাম। তবে ডেমরা জোনের এডিসি মীর মুহাসীন ঘটনাস্থলে উপস্থিত  ছিলেন। বিস্তারিত তিনিই ভালো বলতে পারবেন।"

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ডেমরা জোনের এডিসি মীর মুহাসীন বলেন, পুলিশকে যখন উপস্থিত শিক্ষার্থীরা পাশে থাকা বাঁশ নিয়ে ধাওয়া দিতে আসে তখন পুলিশ আত্মরক্ষায় লাঠিচার্জ করে। তবে আমরা বিষয়টি আরও পর্যবেক্ষণ করবো এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।





Loading...
Loading...


শিক্ষা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy