এলডিসি উত্তরণে অর্থনীতি-রাজনীতির সমন্বয় জরুরি : তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী

কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, বিশেষ প্রতিনিধি

জাতীয়

এলডিসি উত্তরণের পর বাংলাদেশের সামনে যে বহুমাত্রিক অর্থনৈতিক ও রপ্তানি চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে, তা মোকাবিলায় অর্থনীতিকে কার্যকর রাজনৈতিক

2026-07-06T18:35:25+00:00
2026-07-06T18:35:25+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
এলডিসি উত্তরণে অর্থনীতি-রাজনীতির সমন্বয় জরুরি : তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী
কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশ: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ৬:৩৫ পিএম   (ভিজিট : ৩০)
কর্মশালায় প্রধান অতিথি তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন (বাঁ থেকে ২য়)
X

কর্মশালায় প্রধান অতিথি তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন (বাঁ থেকে ২য়)

  
এলডিসি উত্তরণের পর বাংলাদেশের সামনে যে বহুমাত্রিক অর্থনৈতিক ও রপ্তানি চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে, তা মোকাবিলায় অর্থনীতিকে কার্যকর রাজনৈতিক কাঠামো ও কর্মপরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত করার কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

 তিনি বলেন, বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ তখনই জনগণের কল্যাণে বাস্তব ফল বয়ে আনবে, যখন তা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার অংশ হবে।

জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট (র‍্যাপিড) এবং ইউকে ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এর উদ্যোগে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ ও রপ্তানি প্রতিযোগিতায় চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী। 

তথ্যমন্ত্রী বলেন, অর্থনীতিকে যদি রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে আনা না যায়, তাহলে বিশেষজ্ঞদের সব আলোচনা শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক আলোচনায় রূপ নেয়। কারণ জনগণের কল্যাণে যেকোনো অর্থনৈতিক পরিকল্পনাকে বাস্তব কর্মসূচিতে রূপ দিতে হলে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, নেতৃত্ব ও কার্যকর বাস্তবায়ন কাঠামো অপরিহার্য। 

তিনি বলেন, জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করাই রাজনীতির প্রধান দায়িত্ব এবং অর্থনৈতিক নীতির সফল বাস্তবায়নও সেই দায়িত্বেরই অংশ।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, এলডিসি থেকে উত্তরণের পর বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের চ্যালেঞ্জ কমবে না, বরং আরও বাড়বে। এ বাস্তবতা বিবেচনায় সরকার জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট কমিটির কাছে উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন করেছে। তিনি বলেন, অতিরিক্ত সময় চাওয়ার উদ্দেশ্য কোনো সমস্যা থেকে পালানো নয়; বরং প্রয়োজনীয় নীতি সংস্কার ও প্রস্তুতি সম্পন্ন করে দেশের অর্থনীতিকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তোলা।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে অনুমোদনের পর বাংলাদেশ এই অতিরিক্ত সময় পাবে এবং সেই সময়কে সর্বোচ্চ কাজে লাগাতে হবে। 

তিনি বলেন, আগামী তিন বছর কোথায় এবং কীভাবে ব্যবহার করলে দেশের রপ্তানি সক্ষমতা বাড়বে, সেটিই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এজন্য রপ্তানির পথে বিদ্যমান সব ধরনের প্রতিবন্ধকতার পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করে প্রয়োজনীয় নীতি সংস্কারে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, অর্থনীতিবিদরা গবেষণার মাধ্যমে চ্যালেঞ্জগুলো স্পষ্টভাবে তুলে ধরবেন এবং রাজনৈতিক নেতৃত্ব সেই সুপারিশগুলোকে বাস্তবায়নের কর্মপরিকল্পনায় রূপ দেবে।

বাংলাদেশের সম্ভাবনাকে বাস্তব সাফল্যে রূপ দিতে হলে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলো সঠিকভাবে চিহ্নিত করার পাশাপাশি সেগুলোকে রাজনৈতিকভাবে মূল্যায়ন ও বাস্তবায়নের সক্ষমতা গড়ে তোলার উপর জোর দেন তথ্যমন্ত্রী।

র‍্যাপিডের নির্বাহী পরিচালক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. এম আবু ইউসুফের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন র‍্যাপিডের চেয়ারম্যান ড. এম এ রাজ্জাক। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি দৌলত আক্তার মালা।






Loading...
Loading...


জাতীয় এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy