তরুণ উদ্যোক্তারাই আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়বে: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয়

তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তা, সৃজনশীলতা এবং উদ্যোক্তা সম্ভাবনাকে জাতীয় উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী

2026-07-14T17:34:56+00:00
2026-07-14T17:34:56+00:00
সোমবার ১০ আগস্ট ২০২৬ ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার ১০ আগস্ট ২০২৬
   
তরুণ উদ্যোক্তারাই আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়বে: প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩৪ পিএম   (ভিজিট : ২৬)
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
X

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তা, সৃজনশীলতা এবং উদ্যোক্তা সম্ভাবনাকে জাতীয় উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক বিশেষ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এমপি এবং প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। 

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা সূচনা বক্তব্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, প্রক্টর, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী এবং নীতিনির্ধারকরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম নিয়ে তথ্যচিত্র প্রদর্শন, সফল উদ্যোক্তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময়, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মুক্ত আলোচনা এবং নির্বাচিত স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানের এই সেশন সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ্-আল-মামুন।

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী ও মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ‘জাতীয় স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা প্ল্যাটফর্ম’-এর উদ্বোধন। এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম উদ্যোক্তাদের জন্য একটি জাতীয় লঞ্চপ্যাড হিসেবে কাজ করবে। এর মাধ্যমে সরকারি সহায়তা, প্রশিক্ষণ, মেন্টরিং, বিনিয়োগের সুযোগ, অংশীদার প্রতিষ্ঠান এবং উদ্যোক্তা উন্নয়ন-সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা একক প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যাবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, তরুণ উদ্যোক্তারাই আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়ার অন্যতম চালিকাশক্তি। তাদের উদ্ভাবনী চিন্তা, সৃজনশীলতা ও উদ্যোগ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামাজিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে বলেন, পথচলা সহজ নয়; সফলতার জন্য নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ, প্রতিকূলতা ও বাধা অতিক্রম করতে হবে। তবে দৃঢ় ইচ্ছাশক্তি, অধ্যবসায় এবং আত্মবিশ্বাস থাকলে সফলতা অর্জন সম্ভব।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জীবনের লক্ষ্য অর্জনে ধৈর্য ও নিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই। নিজের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে তিনি মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন, অপমান এবং নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে গিয়েছেন। দীর্ঘ সংগ্রাম ও ধৈর্যের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েই তিনি আজকের অবস্থানে পৌঁছেছেন। তাই নতুন উদ্যোক্তাদেরও দৃঢ় মনোবল নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার উদ্যোক্তাদের পাশে রয়েছে এবং তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে। তিনি বলেন, আমরা আপনাদের সঙ্গে আছি। আপনাদের পথচলায় সহযোগিতা করার জন্য, দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য এবং সম্ভাবনার দুয়ার উন্মুক্ত করতে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করব।

দেশের বিভিন্ন প্রান্তের তরুণদের উদ্ভাবনী কার্যক্রম ও সাফল্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন উদ্ভাবন ও প্রতিযোগিতামূলক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী শিশু-কিশোর ও তরুণদের সৃজনশীলতা তাঁকে নতুন করে আশাবাদী করেছে। তাদের মেধা, দক্ষতা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতা দেখে তিনি বিশ্বাস করেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সক্ষম হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা আজ যে পরিবর্তনের জন্য কাজ করছি, যে স্বপ্ন নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে চাইছি, আগামী দিনে সেই দায়িত্ব গ্রহণের মতো দক্ষ ও যোগ্য তরুণ প্রজন্ম বাংলাদেশে তৈরি হচ্ছে। এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় আশার জায়গা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত উদ্যোক্তাদের উদ্যোগের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে তাদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সকল উদ্যোক্তার সাফল্য কামনা করেন এবং বাংলাদেশকে আরও সমৃদ্ধ, উদ্ভাবননির্ভর ও আত্মনির্ভরশীল রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানের সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম ধন্যবাদ জ্ঞাপনকালে বলেন, ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক এই আয়োজন কেবল একটি আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠান নয়; বরং এটি ছিল তরুণদের স্বপ্ন, উদ্ভাবনী চিন্তা, সম্ভাবনা এবং চ্যালেঞ্জ নিয়ে একটি উন্মুক্ত সংলাপের অনন্য প্ল্যাটফর্ম। তিনি বলেন, অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, তরুণ উদ্যোক্তা, গবেষক, বিনিয়োগকারী, শিক্ষাবিদ এবং নীতিনির্ধারকদের অংশগ্রহণ জ্ঞানভিত্তিক ও উদ্ভাবননির্ভর বাংলাদেশ গঠনের একটি সমন্বিত প্রয়াসকে প্রতিফলিত করেছে।

উপাচার্য বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সবসময় দেশের চিন্তা, আন্দোলন, নেতৃত্ব ও জাতীয় অগ্রগতির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে ভূমিকা পালন করে এসেছে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের এই যুগে বিশ্ববিদ্যালয়কে নতুন ধারণা, উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ সৃষ্টির প্রাণকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তিনি শিক্ষার্থীদের শুধু চাকরির প্রত্যাশী না হয়ে প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশের আহ্বান জানান। পরিবহন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতিসহ বিভিন্ন খাতের সমস্যাকে উদ্ভাবনের সুযোগ হিসেবে দেখার এবং সৃজনশীল সমাধান উদ্ভাবনের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, ভাষা প্রযুক্তি, ডিজিটাল পরিচয় ব্যবস্থা এবং তথ্যনির্ভর শাসনব্যবস্থার যুগে তরুণদের নতুন দক্ষতা অর্জন ও উদ্ভাবনী সক্ষমতা বিকাশের বিকল্প নেই। তিনি বলেন, ব্যর্থতার ভয়কে জয় করে মেধা, কৌতূহল ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগাতে পারলেই তরুণরা দেশের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

তিনি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, তরুণদের জন্য মেন্টরিং, প্রশিক্ষণ, প্রোটোটাইপ উন্নয়ন, ইনকিউবেশন এবং বিনিয়োগ সংযোগের যে সমন্বিত রোডম্যাপ গড়ে তোলা হয়েছে, তা উদ্ভাবনী ধারণাকে সফল উদ্যোগে রূপান্তরের পথকে আরও সহজ করবে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকরাও গবেষণা ও শিক্ষাকে বাস্তব জীবনের সমস্যা সমাধানের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতি এবং তরুণদের প্রতি তাঁর আস্থা ও উৎসাহের কথা উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং তরুণবান্ধব দৃষ্টিভঙ্গি দেশের যুবসমাজকে নতুন করে অনুপ্রাণিত করেছে। তিনি বলেন, জ্ঞান থেকে উদ্ভাবন, উদ্ভাবন থেকে উদ্যোগ এবং উদ্যোগ থেকে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ-এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গীকারবদ্ধ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান বলেন, তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তা, সৃজনশীলতা এবং উদ্যোক্তা সম্ভাবনাকে জাতীয় উন্নয়নের মূলধারার সঙ্গে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যেই এ বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ১৯৭৮ সালে যুব উন্নয়ন মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান একটি তারুণ্যদীপ্ত বাংলাদেশ গঠনের দস্বপ্ন দেখেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রযুক্তিনির্ভর ও তরুণবান্ধব বাংলাদেশ গঠনের যে দূরদর্শী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন, আজকের আয়োজন তারই একটি ক্ষুদ্র প্রতিফলন। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী বিশ্বাস করেন যে তরুণরাই আগামী বাংলাদেশের ‘গেম চেঞ্জার’; তাই সনদনির্ভর শিক্ষার পাশাপাশি দক্ষতা ও প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী ব্যবসায়িক ধারণার বাণিজ্যিকীকরণ, প্রতিযোগিতামূলক সিড ফান্ডিং এবং ইনোভেশন গ্রান্ট কর্মসূচি তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী উদ্যোক্তায় পরিণত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি জানান, তরুণ উদ্যোক্তাদের সহায়তায় সরকার ৫০০ কোটি টাকার একটি পৃথক স্টার্টআপ ফান্ড গঠন করেছে, যা দেশের উদ্ভাবনভিত্তিক অর্থনীতি গঠনে নতুন গতি সঞ্চার করবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হবে স্টার্টআপ ও ডিজিটাল উদ্যোক্তাভিত্তিক ইকোসিস্টেম। এ ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনা দেশের জন্য একটি সুস্পষ্ট রূপরেখা তৈরি করেছে। তাঁর দৃষ্টিভঙ্গির কেন্দ্রে রয়েছে উদ্ভাবননির্ভর বাংলাদেশ গঠন, যেখানে স্টার্টআপ সংস্কৃতি, ডিজিটাল উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা অর্জন জাতীয় অগ্রাধিকারে পরিণত হবে।

উদ্বোধনী পর্ব শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে প্রদর্শনী স্টলসমূহ পরিদর্শন করেন। এই প্রদর্শনী আগামীকাল ১৫ জুলাই বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলবে।

উল্লেখ্য, নতুন প্রজন্মের উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে তরুণ ও নারীদের উদ্ভাবনী শক্তিকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রযুক্তিগত রূপান্তরের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ ফান্ড গঠন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে দেশের ৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ২৫০ জন শিক্ষার্থী ও উদ্যোক্তা অংশগ্রহণ করেন।





Loading...
Loading...


জাতীয় এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy