
X
ক্যাশলেস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন
‘লেনদেন হচ্ছে ক্যাশলেস, এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে তিন দিনব্যাপী ক্যাশলেস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়েছে।
এ উপলক্ষে বুধবার (১৫ জুলাই) উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে পূবালী ব্যাংক পিএলসি, মুকসুদপুর ইসলামিক ব্যাংকিং শাখার উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পূবালী ব্যাংক পিএলসি ফরিদপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের হেড অব ডিপার্টমেন্টের এডিসি সাগর কুমার পোদ্দার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পূবালী ব্যাংক মুকসুদপুর ইসলামিক ব্যাংকিং শাখার সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মো. মুসা কালিমুল্লাহ।
সভাটি সঞ্চালনা করেন শাখাটির সহকারী ব্যবস্থাপক মো. হাসিবুল হাসান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মুকসুদপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস ছালাম খান, পৌর বিএনপির সভাপতি আবুল বাশার টুল্টু বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান মিন্টু, উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক আব্দুল কাইয়ূম শরীফ, মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. ছিরু মিয়া, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মোয়াজ্জেম হোসেন মিন্টু এবং মুকসুদপুর বিআরডিবির সাবেক সভাপতি ইব্রাহিম খলিল বাহারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এডিসি সাগর কুমার পোদ্দার বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের ধারাবাহিকতায় ক্যাশলেস লেনদেনের সুবিধা দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দেওয়াই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। বর্তমান সরকার দেশকে ক্যাশলেস অর্থনীতির আওতায় আনার যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে, পূবালী ব্যাংকের এ কার্যক্রম সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
তিনি আরও বলেন, কৃষিনির্ভর এই অঞ্চলের মানুষ যদি কিউআর কোড বা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে লেনদেনে অভ্যস্ত হন, তাহলে কৃষকরাও সরাসরি উপকৃত হবেন। এতে যেমন সময় সাশ্রয় হবে, তেমনি নগদ অর্থ বহনের ঝুঁকিও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।
সভাপতির বক্তব্যে সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মো. মুসা কালিমুল্লাহ বলেন, গ্রাহকদের সর্বোচ্চ মানের ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করতে পূবালী ব্যাংক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিন দিনব্যাপী এ ক্যাম্পেইনে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ক্যাশলেস অ্যাকাউন্ট খোলা, মোবাইল অ্যাপ অ্যাক্টিভেশন এবং ডিজিটাল লেনদেনসংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা প্রদান করা হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রতিটি দোকান, বাজার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ক্যাশলেস লেনদেনের ব্যবহার ছড়িয়ে দেওয়াই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে আধুনিক, নিরাপদ ও সহজ ডিজিটাল ব্যাংকিং ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা সম্ভব হবে।