প্রকাশ: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ১:১৫ পিএম (ভিজিট : ২৭)

X
ছবি : প্রতিনিধি
জনগণ আমার শক্তি জুজুর ভয় দেখাবেন না আপনার কোথায় ছিলেন বিগত ১৭ বছর। ২০১১ সালে নির্বাচনে জনগণের ভোটে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলাম। এই জনগণের ভোটে বড় বড় রাঘব বোয়ালদের হারিয়েছি। কেউ তাদের সামনে কথা বলার সাহস পেতেন না।
২০১৩, ১৪ সালে আমি মেয়র ছিলাম। বিগত সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে রাস্তায় শুয়েছিলাম এই জনগণ তা জানে। আজ কোথা থেকে এসে আপনারা বলছেন১৭ বছর কোথায় ছিলাম।
২১ সালে ভোট করেছিলাম ১৬ সালেও ভোট করেছিলাম আমাকে দেখেন না। ভয় দেখিয়ে লাভ নেই কথাগুলো বললেন রামগতি পৌরসভা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র শাহেদ আলী পটু। তিনি বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে লক্ষ্মীপুরের
রামগতি পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের জনগণকে নিয়ে আলেকজান্ডার মডেল সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক সবার আয়োজন করেন ওই সবাই বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন। তিনি এবারো মেয়র নির্বাচনে প্রার্থী হতে চান কিন্তু দলে তিনি ছাড়া আরো তিনজন নিজেকে প্রার্থী ঘোষণা করায় নির্বাচনী মাঠ এখন উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। গোপনে প্রকাশ্যে অনুসারীদের নিয়ে সবার সেমিনার ও ব্যক্তিগত কন্টাক্ট করে যাচ্ছেন এসময় একে অন্যকে সমালোচনা করতেও ছাড়েন না। অন্যরা হলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ জামাল উদ্দিন, পৌরসভা বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক ও ৮ নম্বর ওয়ার্ড তিনবারের নির্বাচিত সাবেক কাউন্সিলর সৈয়দ মুর্তজা আল আমিন এবং বিএনপি নেত্রী ফাতিমা ঝুমুর।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ জামাল উদ্দিন রমজান মাসে পারিবারিক এক ইফতার অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে নিজেকে রামগতি পৌরসভার সম্ভাব্য ওর পার্টি হিসেবে ঘোষণা দেন এই ঘোষণার পর পৌরসভা নির্বাচনে ব্যাপক গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে এ নিয়ে বিএনপিতে স্পষ্টত দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে জামাল উদ্দিনের পক্ষে এবং শাহেদ আলী পটু পক্ষে। তারা উভয়ে চাচাতো যেঠাতো তো ভাই। পরবর্তীতে সাবেক কাউন্সিলর বিএনপি পুরো বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক মুর্তজা আল আমীন নিজেকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দেন। মুর্তজা আল আমিন একজন সুশিক্ষিত ভদ্র মানুষ হিসেবে এলাকায় সুপরিচিত। এছাড়া বিএনপিকে সমর্থন করেন এবং নানা কর্মকান্ডে নিজেকে বিএনপি নেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করছেন।
ফাতেমার জুমুর তিনিও একাধিক জায়গায় এবং বিভিন্ন দান অনুদান দিয়ে ভোটারদের কাছে ভোট ছেড়ে চলেছেন।
মোঃ জামাল উদ্দিন ও শাহেদ আলী পটু পারিবারিকভাবে একই ফ্যামিলির লোক পরস্পর চাচাতো জেঠাতো ভাই এছাড়া ওই পরিবারের অপর এক সদস্য তাদের চাচাতো ভাই মাওলানা আবুল খায়ের তিনি রামগতি পৌরসভা জামাতের আমির। বাংলাদেশ জামাত ইসলামী আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে রামগতি পৌরসভার প্রার্থী ঘোষণা দেন। তিনিও মাঠের বেশ সক্রিয় হয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন। বলতে গেলে হাজী পরিবার দীর্ঘদিন থেকে উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি এবং জামাতের নেতৃত্ব দিয়ে আসছে।
বিভক্ত বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকরা দ্বিধাদ্বন্দ্বে থাকলেও তফসিল ঘোষণার পর একজনই প্রার্থী হবেন বলে আশা করছেন তারা।
ইতিমধ্যে পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পরিষদের ভোট নিয়ে রামগতি -কমলনগরের সংসদ সদস্য ও হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান প্রার্থী পরম সংগ্রহ ও বাসায় কাজ শেষ করেছেন দফায় দফায় তাদের নিয়ে বৈঠক করেছেন এবং প্রতিশ্রুতি নিয়েছেন তিনি যাকে যেখানে প্রার্থী হওয়ার যোগ্য মনে করবেন বাকিরা তা মেনে নেবেন কিনা এ সময় সকলে মেনে নিবেন বলে তাকে আশ্বস্ত করেন।