জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি ধরে রাখতে শেরপুরে শিক্ষার্থীদের গ্রাফিতি অঙ্কন

মনিরুজ্জামান মনির, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি

সারাবাংলা

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণ, আন্দোলনের চেতনা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং ইতিহাসকে জীবন্ত রাখার লক্ষ্যে শেরপুর শহরের

2026-07-23T11:36:37+00:00
2026-07-23T11:36:37+00:00
শনিবার ৮ আগস্ট ২০২৬ ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার ৮ আগস্ট ২০২৬
   
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি ধরে রাখতে শেরপুরে শিক্ষার্থীদের গ্রাফিতি অঙ্কন
মনিরুজ্জামান মনির, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ১১:৩৬ এএম   (ভিজিট : ৩৯)
ছবি : প্রতিনিধি
X

ছবি : প্রতিনিধি

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণ, আন্দোলনের চেতনা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং ইতিহাসকে জীবন্ত রাখার লক্ষ্যে শেরপুর শহরের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে গ্রাফিতি অঙ্কন কর্মসূচি শুরু করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্যরা।

মঙ্গলবার সকাল থেকে শহরের শেরপুর সদর থানার সামনে, থানার মোড় মুক্ত মঞ্চে,  শাপলা চত্বর, এগ্রিকালচার মোড়, খরমপুর মোড়ে প্রায় ১৫ থেকে ২০ জন শিক্ষার্থী রঙ-তুলি হাতে দেয়ালে ফুটিয়ে তুলছেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নানা প্রতীকী চিত্র, প্রতিবাদী বার্তা ও স্লোগান। গ্রাফিতিগুলোতে স্থান পেয়েছে ছাত্র-জনতার আন্দোলন, আত্মত্যাগ, প্রতিবাদ, স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা এবং বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের বার্তা।

অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী মারজিয়া জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এই আন্দোলনে শেরপুরের ছাত্র-জনতাও সাহসিকতার সঙ্গে অংশ নিয়েছেন। সেই স্মৃতি সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে আন্দোলনের ইতিহাস তুলে ধরতেই তাদের এই উদ্যোগ।

গ্রাফিতি অঙ্কনে অংশ নেওয়া আফরিনা হোসেন স্কৃতি নামের  শিক্ষার্থী বলেন, “আমাদের লড়াই, আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের ইতিহাস যেন সময়ের সঙ্গে হারিয়ে না যায়। দেয়ালের এই চিত্রগুলো ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করতে সহায়তা করবে।”

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শেরপুর শাখার আহ্বায়ক জিতু বলেন, “শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিবিজড়িত বিভিন্ন প্রতীকী চিত্র ও বার্তাসংবলিত গ্রাফিতি আঁকা হচ্ছে। ইতিহাস সংরক্ষণ এবং নতুন প্রজন্মকে আন্দোলনের চেতনার সঙ্গে পরিচিত করানোই আমাদের মূল উদ্দেশ্য। সাধারণ মানুষের কাছ থেকেও আমরা ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছি।”

স্থানীয় বাসিন্দারা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, জনসমাগমপূর্ণ স্থানে আঁকা এসব গ্রাফিতি শুধু শহরের সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করবে না, বরং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আয়োজকদের মধ্যে শামসুদ্দোহা আনন্দ জানান, পর্যায়ক্রমে জেলার আরও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একই ধরনের গ্রাফিতি অঙ্কন করা হবে, যাতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস ও চেতনা দীর্ঘদিন ধরে মানুষের মাঝে জীবন্ত থাকে।





Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy