প্রকাশ: রোববার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৬:১১ পিএম (ভিজিট : ২৫)

X
সংগৃহীত ছবি
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বলেন শিশুরা ফুলের মতো। শিশুদের ভেতর লুকিয়ে থাকা প্রতিভা বিকশিত করতে হবে।
এই শিশুদের লুকিয়ে থাকা প্রতিভা অন্বেষণে কাজ করছে বাংলাদেশ জিয়া শিশু একাডমী। তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে চ্যানেল আই। যা এই অনুষ্ঠানের মাহাত্মকে অনেক গুন বাড়িয়ে দিবে। এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বেরিয়ে আসবে নতুন নতুন প্রতিভাবান শিল্পী। তারা দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে সমৃদ্ধ করবে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
মন্ত্রী রাজধানী ঢাকায় চ্যানেল আইতে শুরু হতে যাচ্ছে নতুন আরেকটি রিয়েলিটি শো শিশুশিল্পী প্রতিযোগিতা শাপলাকুঁড়ি ২০২৬ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বক্তৃতায় এ কথা ব্যক্ত করেন।
শিশুশিল্পী প্রতিভা অন্বেষণে রিয়েলিটি শো শাপলাকুঁড়ি এবার চ্যানেল আইতে উল্লেখ করে বলেন, আজ যারা দেশের অনেক খ্যাতিমান শিল্পী তাঁরা চ্যানেল আইয়েরই অবদানে।
যেখানে প্রতিভা সেখানেই আমরা এই স্লোগানে বাংলাদেশ জিয়া শিশু একাডেমী এই প্রতিযোগিতার মূল আয়োজক। এবারের আয়োজনটি ১৪তম। ক্বেরাত, আবৃত্তি, অভিনয়, সংগীত, নৃত্য ও যন্ত্রসংগীতে দেশের ১২ টি জোনে প্রাথমিক বিজয়ীরাই বিষয়ভিত্তিক নির্বাচনে ১৫টি একক এবং ৩টি দলীয় বিষয়ে অংশ নিবে। একজন প্রতিযোগী সর্বোচ্চ ৩টি একক এবং ১ টি দলীয় বিষয়ে অংশ নিতে পারবে। প্রতিটি বিষয়ে ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান বিজয়ী এবং দুটি বিভাগে ২জন শাপলাকুঁড়ি চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নির্ধারিত হবে। এর প্রতিটি পর্ব প্রচারিত হবে চ্যানেল আইতে। প্রতিযোগিতার রেজিস্ট্রেশন চলবে ২৬ জুলাই থেকে ২০ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত। বিস্তারিত জানা যাবে চ্যানেল আইতে এবং বাংলাদেশ জিয়া শিশু একাডেমীর ওয়েবসাইটে।
প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা উপলক্ষে চ্যানেল আইতে এ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক মন্ত্রী বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এমপি, চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, বাংলাদেশ জিয়া শিশু একাডেমীর মহাপরিচালক হুমায়ুন কবীর, নজরুল সংগীতশিল্পী ফেরদৌস আরা, ফাতেমা তুজ জোহরা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কণ্ঠশিল্পী বিউটি, লায়লা, মৌমিতা বড়ুয়া, এই রিয়েলিটি শো’র প্রকল্প পরিচালক রাজু আলীম ।
অতিথিরা বলেন, শিশুরা জাতির ভবিষ্যৎ এবং তারা ফুলের মতো। এই শিশুদের ভেতর লুকিয়ে থাকা প্রতিভা বিকাশে বাংলাদেশ জিয়া শিশু একাডমীর বিকল্প নেই। তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে চ্যানেল আই। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বেরিয়ে আসবে নতুন প্রতিভাবান মুখ। তারা দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে সমৃদ্ধ করবে এবং দেশকে বিশ্বের কাছে পরিচিত করে তুলবে।