
X
ছবি: প্রতিনিধি
‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দেশব্যাপী শুরু হওয়া জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬ এ দর্শনার্থীদের বিশেষ নজর কেড়েছে আলী-জাহান এগ্রো নার্সারি।
রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত জাতীয় বৃক্ষমেলায় ৪৫ নম্বর স্টলে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রজাতির ফুল, ফল, বনজ ও ঔষধি গাছের সমাহার নিয়ে অংশ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। নান্দনিক স্টল সাজসজ্জা ও বৈচিত্র্যময় বৃক্ষের প্রদর্শনের কারণে মেলার শুরু থেকেই দর্শনার্থী ও ক্রেতাদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে আলী-জাহান এগ্রো।
গত ৯ জুলাই ২০২৬ থেকে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে বিভিন্ন মেয়াদে শুরু হয়েছে জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬। রাজধানীতে মাসব্যাপী এ মেলায় সরকারি প্রতিষ্ঠান, নার্সারি মালিক, সামাজিক বনায়নের উপকারভোগীসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। এবারের মূল মেলায় রয়েছে ১২০টি স্টল।
মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ ও বনায়নে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন পুরস্কার প্রদান করা হয়। পাশাপাশি সামাজিক বনায়নের উপকারভোগীদের মধ্যে লভ্যাংশের চেক বিতরণ করা হয়।
আলী-জাহান এগ্রোর কর্মকর্তারা জানান, নগর জীবনে সবুজায়ন বাড়ানো এবং মানুষের বসবাসের পরিবেশকে আরও স্বাস্থ্যকর করে তোলাই তাদের মূল লক্ষ্য। বিশেষ করে রাজধানীর মতো ঘনবসতিপূর্ণ নগরীতে ছাদ, বারান্দা ও বাড়ির আশপাশে পরিকল্পিত বাগান তৈরির মাধ্যমে সবুজ পরিবেশ গড়ে তোলার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করছে।
প্রতিষ্ঠানটির মতে, আধুনিক নগরজীবনে দ্রুত নগরায়ণের কারণে প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের দূরত্ব বাড়ছে। তাই ভবনের ভেতরে ও আশপাশে পরিকল্পিতভাবে গাছ লাগানোর মাধ্যমে একটি স্বাস্থ্যকর ও নান্দনিক পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব। এ লক্ষ্যেই দেশি-বিদেশি বিভিন্ন উপকারী ও সৌন্দর্যবর্ধক উদ্ভিদ সংগ্রহ করে গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে আলী-জাহান এগ্রো।
মেলায় আগত দর্শনার্থীরা জানান, আলী-জাহান এগ্রোর স্টলে বিভিন্ন ধরনের গাছের বৈচিত্র্য, পরিচ্ছন্ন উপস্থাপন এবং নান্দনিক সাজসজ্জা তাদের আকৃষ্ট করেছে। বিশেষ করে ইনডোর প্লান্ট, ফলদ ও সৌন্দর্যবর্ধক গাছের সমাহার ক্রেতাদের আগ্রহ বাড়িয়েছে।
পরিবেশবিদদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, বায়ুদূষণ কমানো এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। এ ধরনের উদ্যোগ নগর সবুজায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
আলী-জাহান এগ্রো জানায়, শুধু বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে নয়, বরং প্রকৃতির প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই তারা সবুজায়ন কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে কাজ করছে। ভবিষ্যতে আরও ব্যাপক পরিসরে দেশি-বিদেশি উপকারী উদ্ভিদ নিয়ে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।