প্রকাশ: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৬:২৫ পিএম (ভিজিট : ৩২)

X
প্রতীকী ছবি
কুমিল্লা জেলার হোমনা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যক্তিমালিকানাধীন ও সরকারী জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে।
হোমনার ঘনিয়ারচর গ্রামের বাসিন্দা প্রবাসী মনিরুল ইসলাম ২০১৪ সালে ও ২০১৬ সালে ২০ শতক জায়গা ক্রয় করেন। বর্তমানে তিনি প্রবাসে থাকলেও তার ক্রয়কৃত জায়গায় তার স্ত্রী সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা বসবাস করছেন।
গত ১৮ জুলাই মৃত আনছর আলী'র ছেলে ধনু মিয়া এবং ধনু মিয়ার ছেলে ও হোমনা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, তাজরুল ইসলাম, আমিরুল ইসলাম, জহিরুল ইসলাম ও জামিরুল ইসলাম সহ আরো ৪/৫ জন জোরপূর্বক জমি দখল করতে আসায় হেমনা থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
গত, ২৩ জুলাই পরবর্তীতে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৩ এর ৪(১)/৭(২) তৎসৎ ৫০৬(২) দন্ডবিধি ধারায় আদালতে সিআর মামলা দায়ের করেন।
জমি দখলের বিষয়ে হোমনা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম জানান, তার নাম সহ আরো কয়েকজনকে অভিযুক্ত করে রুমি আক্তার নামক এক ব্যাক্তি থানায় অভিযোগ ও আদালতে মামলা দায়ের করে। অভিযোগকারীর এক অংশ জায়গা আমি দখন করি নাই। আমার ৩০ শতাংশ জায়গার মধ্যে প্রায় ১৫/১৬ শতাংশ জায়গায় সরকার রাস্তা নির্মাণ করে। বাকি জায়গায় তিনি দখলে আছেন। সরকার ভূমি অধিকরণ ছাড়াই আমার জায়গায় রাস্তা নির্মাণ করেছে। এই বিষয়ে মামলা চলমান রয়েছে। তবে, ওই ব্যাক্তির সাথে কোন ঝামেলা নেই এবং উনার কেন জমি আমি দখনে নেই নি। আমার জায়গায়তেই আমি দখল করে দোকান নির্মাণ করছি।
স্থানীয় প্রকৌশলী অধিদপ্তর হোমনা উপজেলা প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম জানান, গত এক সপ্তাহ আগে তিনি কর্মস্থলে যোগদান করেন। এই বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। অন্যান্য কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে বিষয়টার সম্পর্কে জেনে বিস্তারিত বলতে পারবেন।
বাদী রমি আক্তার সাংবাদিকে জানান, উনার স্বামীর ক্রয়কৃত ২০ শতক জায়গা তিনি দীর্ঘদিন ধরে ভোগ দখল করে আসছেন। কয়েকদিন আগে হোমনা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম সহ অন্যান্যরা জোরপূর্বক আমার জমিতে এবং পাশে সরকারী জমিতে দোকান নির্মাণ করছেন। আমার স্বামী প্রবাসী থাকায় আমাকে বিবাদীগণ বিভিন্ন ধরনের ভয়-ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন। আমি থানায় অভিযোগ করেছি কিন্তু তারা থানা পুলিশের কথাও শুনচ্ছেন না। তাই আমি আদালতে একটি মামলা দায়ের করি।
উক্ত ঘটনায় হোমনা থানার অফিসার ইনচার্জ তমাস বড়ুয়া বলেন, ক্রয়কৃত জমির মালিক প্রবাসী মনিরুল ইসলাম এর স্ত্রী থানায় তিনি তার জায়গার উপর জোরপূর্বক দখল করে দোকান নির্মাণ ও তার জায়গায় বিভিন্ন গাছপালা কেঁটে ফেলায় অভিযোগ করেন। থানা কর্মরত অফিসাররা ঘটনাস্থলে গিয়ে উক্ত জায়গাটি কোন ব্যাক্তিগত জায়গা না হওয়াই এলজিআরডির জায়গা হওয়াই উপজেলা প্রকৌশলীয় ইন্জিনিয়ারকে অবগত করেন। বর্তমানে তিনি আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি পিবিআই তদন্ত করছেন।