প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ৭:১২ পিএম আপডেট: ০৪.০৮.২০২৬ ৭:১৩ পিএম (ভিজিট : ৩১)

X
ছবি: প্রতিনিধি
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) প্রধান ফটকে লাঠিসোঁটা ও বাঁশ হাতে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
তবে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি থাকলেও বিকেল পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও আশপাশে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কোনো নেতাকর্মীকে দেখা যায়নি। লাঠিসোঁটা ও বাঁশের পাশাপাশি দেশীয় অস্ত্র দেখা গেছে কয়েকজনের হাতে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে জড়ো হয়ে অবস্থান নেন। এ সময় তারা ছাত্রশিবিরবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেন।
এছাড়া 'রাজাকার'-সংবলিত প্রতিকৃতিতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের জুতা নিক্ষেপ করতে দেখা যায়।
অন্যদিকে, নগরীর লালবাগ থেকে একই স্থানে বিকেল ৫টায় মহানগর ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ মিছিল করার ঘোষণা থাকলেও নির্ধারিত সময় পর্যন্ত তাদের কোনো উপস্থিতি দেখা যায়নি। পরে লালবাগ থেকে নগরীর শাপলা চত্বরের দিকে যায় শিবিরের বিক্ষোভ মিছিল।
এর আগে সোমবার (৩ আগস্ট) রাতে 'জুলুমের বিরুদ্ধে জুলাই' শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে 'জুডিশিয়াল কিলিং' সংবলিত একটি ব্যানারকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ২৫ জন আহত হন। ওই ঘটনার ধারাবাহিকতায় আজ মঙ্গলবার একই স্থানে উভয় সংগঠনের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে নতুন করে সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ক্যাম্পাসে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারির জন্য পুলিশ প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বহিরাগতদের প্রবেশ এবং যানবাহন চলাচলের ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।
বিকেল পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অবস্থান করলেও ছাত্রশিবিরের কোনো অবস্থান দেখা যায়নি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রধান ফটক ও আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও কঠোর অবস্থানে রয়েছে।