প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪৫ পিএম (ভিজিট : ১৪)

X
নূরিয়া খাতুন
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার জুনিয়াদহ গ্রামের আশিক শেখের মেয়ে নূরিয়া খাতুন (৭) পদ্মা নদীর পাড় ধসে পানিতে তলিয়ে নিখোঁজ হওয়ার ১দিন পর(২৮ ঘন্টা) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে পাশের মিরপুর উপজেলার শিমুলতলা এলাকার মীর আব্দুল করিম কলেজসংলগ্ন পদ্মা নদী থেকে নৌ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস তার মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত নূরিয়া খাতুন ভেড়ামারা উপজেলার জুনিয়াদহ গ্রামের আশিক শেখ ও নূরনাহার খাতুনের মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকালে মিরপুর উপজেলার তালবাড়িয়া এলাকার মীর আব্দুল করিম কলেজসংলগ্ন পদ্মা নদীতে একটি শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে তারা মরদেহটি নদীর তীরে এনে আটকে রাখেন এবং জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেন।
হাসান আলী জানান, শিশুটির মরদেহ দৌলতপুরের দিক থেকে ভেসে ভাটির দিকে কুষ্টিয়ার অভিমুখে যাচ্ছিল। খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নৌ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করেন।
লক্ষ্মীকুণ্ডা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক শফিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে নৌ পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে নিখোঁজ শিশুর স্বজনরা ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটি নূরিয়ার বলে শনাক্ত করেন। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
উল্লেখ,পদ্মা নদীর ভাঙনরোধে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ চলছিল। বুধবার বিকালে নূরিয়া ও জামিলা জিও ব্যাগের ওপর বসে খেলছিল। হঠাৎ নদীর পাড় ধসে জিও ব্যাগসহ দুই শিশু পদ্মায় পড়ে যায়। জামিলা নিজেই কোনোমতে নদী থেকে ওপরে উঠে আসতে সক্ষম হলেও নূরিয়া প্রবল স্রোতে তলিয়ে যায়।
পরে জামিলা কান্নাকাটি করতে করতে স্থানীয়দের ঘটনাটি জানায়। খবর পেয়ে এলাকাবাসী দ্রুত নদীর আশপাশে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। বৃহস্পতিবার বিকালে নূরিয়ার লাশ উদ্ধার করেছে।