প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৩২ পিএম (ভিজিট : ২)

X
সংগৃহীত ছবি
যুদ্ধের তীব্রতা আরও বাড়াতে ইউক্রেন সীমান্তে নতুন করে পাঁচ লাখ সৈন্য সমাবেশের পরিকল্পনা করছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ইউক্রেনের গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে এমন দাবি করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় জেলেনস্কি জানান, ডুমা নির্বাচনের পরপরই প্রেসিডেন্ট পুতিন গোপনে এই বিশাল সৈন্য সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু করবেন। লোকলজ্জা ও অভ্যন্তরীণ সামাজিক অসন্তোষের ভয়ে প্রকাশ্য সামরিক নির্দেশ জারি না করে গোপনেই সৈন্য টানা হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। স্বল্প সময়ে সঠিক প্রশিক্ষণ ছাড়াই বিপুলসংখ্যক সেনা রণক্ষেত্রে পাঠালে হতাহতের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়বে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এদিকে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যকার এই ক্ষয়িষ্ণু যুদ্ধ নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ইউক্রেন যদি রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ লক্ষ্যবস্তুতে হামলা অব্যাহত রাখে, তবে পুতিন তার ‘সর্বশেষ বিকল্প’ অর্থাৎ পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারে বাধ্য হতে পারেন। পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক রূপ নিচ্ছে উল্লেখ করে বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে পশ্চিমা মিত্রদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।
জাতিসংঘের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি দুই দেশই একে অপরের ভূখণ্ডে দূরপাল্লার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বহুগুণ বাড়িয়েছে, যা বেসামরিক প্রাণহানিকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। রাশিয়ার তাতারস্তান অঞ্চলে সাম্প্রতিক ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে ইউক্রেনের খারকিভ অঞ্চলে রুশ বাহিনীর কামানের তীব্র গোলাবর্ষণে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৫ জন বেসামরিক নাগরিক।
পাল্টাপাল্টি আক্রমণের খবর নিশ্চিত করে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, তারা এক রাতেই ৪৫৬টি ইউক্রেনীয় ড্রোন গুলি করে ধ্বংস করেছে। অন্যদিকে ইউক্রেনীয় বিমান বাহিনী জানিয়েছে, তাদের বিভিন্ন সামরিক ও বেসামরিক লক্ষ্যবস্তু লক্ষ্য করে রাতভর অন্তত ১২৬টি ড্রোন নিক্ষেপ করেছে রুশ বাহিনী।